![]()
তুমি-ই কবেকার কবিতার অন্ধকার থেকে উঠে আসা
কোন এক বনলতা সেন কিংবা প্রিয়-মুখ জেনিফার;
কেবলই সুরের উথাল-পাথাল আটলান্টিকে ভাসা…
তুমি শ্রাবস্তির মুখোশ খুলে কিংবা অন্ধকার চুল আর
অজন্তা-হিপের ভঙ্গিমা ভুলে শুধুই নীরবে
একবার আমার স্বপ্নের দখিন জানালায় দাঁড়ালে;
এমন সরল না-দেখা সুন্দর কে দেখেছে কবে!
তার সাথে কেবল পলাশ-রঙা মুখর মৌনতা বাড়ালে
আমার হাজারটি কথা বলা হয়ে যায় জানি,
এক মুহূর্তের ঐতিহাসিক মৌনতায়। তখন কেবলই অশেষ
হাজার বছর কেটে যায় যেন মলয় সাগরের আকাশ-পানি
কিংবা বিদর্ভ নগরের বিধ্বস্থ অন্ধকার-বেশ,
কোন এক অদেখা পারিজাত কুসুমকাননে…
শুধু ‘পাখির নীড়ের মতন’ চোখ তুলে একবার তাকালে
হাজারটি শূন্যতা মিলিয়ে যায় বুকের গহনে
দূর থেকে ভালোবাসার রংহীন রঙে স্বপ্নকে আঁকালে
সহসা বুক ভরে যায়, বুক ভরে যায়
শেষ বিকেলের সুখ-সুখ কৃষ্ণচূড়ায়…
(১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে)
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)