নূপুর – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
আর ছন্দ থাকে না কবিতায়। যদিও একসময়ে থাকত, যখন তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে লিখে যেতাম আলতা রাঙা পা দুটিকে কোলে নিয়ে। এখন তুমি নেই। শুধু আছে এক জোড়া নূপুর বাজে না আগের মতো, নেই সেই সুর। কলম এগোতে চায় না…
আর ছন্দ থাকে না কবিতায়। যদিও একসময়ে থাকত, যখন তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে লিখে যেতাম আলতা রাঙা পা দুটিকে কোলে নিয়ে। এখন তুমি নেই। শুধু আছে এক জোড়া নূপুর বাজে না আগের মতো, নেই সেই সুর। কলম এগোতে চায় না…
আমি সেই মেয়ে আমিই সেই নারী আমি সেই স্বাধীন স্বপ্নচারিনী যার স্বপ্নের ডানা আছে আকাশের পানে চেয়ে আকাশ হওয়ার স্বপ্ন দেখে, মেঘের দলে নাম লিখিয়ে নকশি কাটে আর নিজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভেসে চলে অন্য দেশে। দিন ফুরালে পাখির স্বরূপ…
ছোটো দেহেও বড়ো হৃদয় থাকে, চাঁদের আলো এত মিষ্টি তবু আছে কলঙ্কের বিষ তার উৎসে। ছোটো দেহও দিতে পারে সীমাহীন ভালোবাসা, সূর্য ক্ষুদ্র তবু ছড়ায় আলো যতটা পারে অন্তহীন আকাশে। ছোটো দেহেও বাস করে ছোটো দেহ, এক বিন্দু জলও ঘর…
কবিতা আর লেখা হয়না, যখনই লিখতে যাই তখনই তুমি আমার সামনে এসে দাঁড়াও। দেখি, তোমার সারা গায়ে নখের আঁচড়ের দাগ ঠোঁটের কোনে রক্ত লেগে কাপড়ে ধস্তাধস্তির চিহ্ন চোখের নিচে জমা কালসিটে পা জোড়ায় এলোমেলো রক্তের রেখা। বোঝা যায় সবই- কেউ…
সত্যিই ওরা সুখী- মনের আনন্দে আকাশে উড়ে বেড়ায় সাগরে ভেসে কাটায় ভূমির ধুলো অতিষ্ট হয় দুনিয়ায় পতাকা ওড়ায়। আমিও বড়ো সুখী- কুড়ুলের ঘা সহ্য করে মাথায় বজ্রের আঘাত পেয়ে নিজের ছায়ায় আশ্রয় দিয়ে মেঘ বৃষ্টি এনে কোটরে ধনদৌলত লুকিয়ে রেখে…
যার হৃদয়ের গভীরে আমার চোখের দৃশ্যপাত সেখানে সুন্দর সবই গভীর মরুদেশের ঘর।
চিরচেনা প্রকৃতি সুন্দর সুন্দর সবই স্থির কিংবা গতিশীল তার চেয়ে সুন্দর দুটি চোখ যে চোখ দিয়ে সমস্ত সুন্দরকে চেনা যায় অনুভবে মনে ধারণ করে মৃত্যু তো মাত্র এক সেকেন্ডের বেঁচে থাকা যুগের চেয়েও বড়। যার নিঃশ্বাসে আমাকে চেনা যায় বোঝা…
তোর বই পড়ার কথা আছে কি মনে? সারাদিন সময় কাটছে শুধু টেলিফোনে ! নিজের হাতেই জীবনটা নষ্ট করিস না খোকা, তবে বয়স বাড়লেই নিজেকেই লাগবে খুব বোকা। তখন কেউ তোকে দেবে না দাম , তা সে যতোই ঝরাও নিজের মাথার…