সেয়ানাদের নীতি
হওয়াতে পারলে হয়তো হ’ত নত হতে পারলেও ভালো হ’ত শুতে পারলে আরো ভালো হ’ত সহিত ও বিহিত অব্যাহত।
হওয়াতে পারলে হয়তো হ’ত নত হতে পারলেও ভালো হ’ত শুতে পারলে আরো ভালো হ’ত সহিত ও বিহিত অব্যাহত।
আমার জীবন ডায়েরির পাতা গুলো একে একে এভাবেই শেষ হ’লো নক্ষত্র রাত্রির স্নিগ্ধতার নিকটে ধোঁয়াশার অন্ধকারে। এ এক নূতন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন মানচিত্র মিশর কিংবা ব্যাবিলনের ইতিহাস। রক্তের তলোয়ারে সময় বিদ্ধ হাতের শিরার নাগালে; কয়েকটি নীল উঁচু অট্টালিকা ক্ষয়ে গেল…
সত্যি করে বলো তুমি আমার কে? তোমার কথা ভেবে ভেবে মাথা যায় ধরে।। যদি তোমায় বন্ধু ভাবি , মন চায় আরো.. যদি ভাবি প্রেমিকা তোমায়, মন হয় জোরালো।। অহেতুক সব চিন্তা ভাবনা, করছি তোমায় নিয়ে, আদেও কি আমি আছি, তোমার…
শরীরের টানে সাপ সাপিনীর কাছে যায় সর্পিল দেহ থেকে দেহে প্রবল কাম ধায় দেহগত মিলন থেকে সুখ পায় ঐশ্বরিক জৈবিক দ্বিত্ব হইতেই অপার্থিব ঐকিক। পরস্পরকে ওরা কী ভীষণ ভালোবাসে জড়ায় পাকেপাকে অফুরন্ত নাগপাশে প্রতি পাকে সৃষ্টির আলাদা আলাদা স্তর, পঞ্চভূত…
পুরাতন বছর,,,,,,, তোমার সাথে এবার বাঁধন টুটি শত শত কাজ হল তোমার সাঙ্গ, এবার তুমি নাও গো তবে ছুটি তোমার যত অশান্ত দূর্ভোগ ছাড়ি, ভালো কিছু সাথে নিয়ে মোরা—— নতুন বছরে দিলাম পাড়ি । নতুনের সাথেই একটি বছর চলব মোরা…
এক এবং একমাত্র চেনা অগ্নিকুন্ড সূর্যেরই কাছে অনন্ত সম্ভাবনার সমস্ত রকমের হদিস রয়েছে। তাঁর রথটি টানে সাত সাতটি তেজী অশ্ব বেগবান তাদের মিলিত জোরে অক্লান্ত রথ সদা আগুয়ান প্রতিটি ঘোড়া পরস্পরের সঙ্গে বাঁধা সাপ দিয়ে রশ্মির গতি সর্পিল তা বোঝানো…
জগৎ সংসার হাকিকুর রহমান হায়রে! এই জগৎ সংসারে- বুঝিনা কেই বা কাহারে সংহারে। সকলিই যেন হিত-প্রীত-ব্যাপ্তির পরাকাষ্টা মনে হয় লুব্ধ-ক্রুদ্ধ-রুদ্রের শেষ আশটা। তাইতো জ্ঞান-ধ্যান-অর্জনের অবশেষে রইলাম জীর্ণ-শীর্ণ-ক্লান্তির পরিবেশে। অতঃপর ভাবিয়া উদ্ধারিত হইবার প্রচেষ্টা তবু কেনো পিপাসিত জীবনে বাড়িলো যে তেষ্টা।
ক্ষণিকের প্রণোদনা হাকিকুর রহমান ক্ষণিক পিয়াসী, ক্ষণিক বিনাসী ক্ষণিকের জানাশোনা, হারালোকি বুঝি, ক্ষণিকের ভালে ক্ষণিকের লেনাদেনা।। প্রাণের পরশে হিয়া দুলেছিলো ক্ষণ নিয়া চমকিয়া কোথা গিয়াছে হারায়ে ক্ষণিকের আরাধনা।। জীবনের শেষ খেয়া, তবু তটে যাই বয়ে ভাবনার বেড়াজালে, বেঁধে রেখে চাই…