মনে পড়ে – আহমেত কামাল
মনে পড়ে আহমেত কামাল তোমাকে খুব মনে পড়ে,,, হারিয়ে ফেলা প্রিয় আংটির মতো। তুমি কি এখনও শিমুল তলে যাও কিংবা নিটল দিঘির ঘাট? অথবা কখনও কি ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয় শিমুল অথবা মূল। আমার আর হয়না! আমি বৃষ্টি দেখি,,, একাকী…
মনে পড়ে আহমেত কামাল তোমাকে খুব মনে পড়ে,,, হারিয়ে ফেলা প্রিয় আংটির মতো। তুমি কি এখনও শিমুল তলে যাও কিংবা নিটল দিঘির ঘাট? অথবা কখনও কি ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয় শিমুল অথবা মূল। আমার আর হয়না! আমি বৃষ্টি দেখি,,, একাকী…
ওপরে তাঁরা কবি, পূজা করেন সুন্দরের শীলিত উপায়ে ঢাকা অসূয়া অন্তরের ওপরে সদালাপ, মিষ্টি ব্যবহার আচ্ছা ভেতরে এ ওকে বলেন, ‘সাপের বাচ্চা’ ওপরে ভাবসাব, জমজমাটী হাসিমুখ আড়ালে এ ওঁর কাব্যকে বলেন ‘অসুখ’। ওপরে মেশা ও মিশি, নিখুঁত শিষ্টাচার যদিও ঈর্ষার…
বাঁচাও বাঁচাও আর্তনাদে কম্পিত আকাশ কাঁদে ধ্বসে পড়া দর্জিবাড়ির ছাদে, চাপা পড়ে অগণিত মানুষের উৎপাদে; অবিরাম বাঁচার লড়াই চলে সেই মৃত্যুফাঁদে। কতো শত প্রাণ মুহূর্তে হারায় জান জীবন খেলার অতৃপ্ত অবসান, মালিকের স্বার্থ রক্ষায় হলো বলিদান; স্বজন হারা মানুষের মুখ…
নতুন বছরের আজ হইচই শুরু বর্বরতা না করলে চলে নাকি, গুরু? কী ভাগ্যি পুরনো সাল থামে, তাই শহর কত রকম ফূর্তি আনায়। আলোচনা হচ্ছে শুনি রাস্তায় ক্লাবে মুরগি ঢুকবে রাত বারোটায় একটা সাদা আর অন্যটা কালো তবে ইয়ার দু’টোই বস্তু…
কবিতার জগতে অত সোজা নয় পরিচিতি আমরাই আপনাকে সুউচ্চে তুলে দিতে পারি শুধু জোরালো কলম থাকলে হয় না মশাই কবির হাতে থাকা চাই কৌশলী এক তরবারি। আমরা এমন এক প্রকাশক, কত জাদু জানি রাতারাতি যে কাউকে উজ্জ্বল করে দিতে পারি…
‘মুখে দে’ বিস্কিট ঘোর অবেলায় খাচ্ছিলাম অভাবে ও কোনো বাজারি গভীরতা না ভেবে কফির কাপে চুবিয়ে তাদেরকে পেটের ভেতরে একের পরে এক, অভ্যাসে বড় সুখে নিচ্ছিলাম। তখনি বিস্কুটের মোড়কে পড়ে গেল দৃষ্টি। তিপ্পান্ন গ্রাম বিক্কু, তার সঙ্গে আরো তের গ্রাম…
পৃথিবীতে অসংখ্য গ্রহ নক্ষত্র রয়েছে আকাশ জুড়ে সবই জেগে উঠেছে নীল আকাশের প্রান্ত ফুঁড়ে । দেখেছি সুমেরুর এস্কিমোতে কখনও কুমেরুর অ্যান্টার্কটিকার প্রান্তরে কখনও দেখেছি আমি অন্ধকারে ব্যাকুল কুহেলিকার অন্তরে । চারিদিকে আমার চোখে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম আলোকবিন্দু যতো দেখতে পেতাম দিবা…
হওয়াতে পারলে হয়তো হ’ত নত হতে পারলেও ভালো হ’ত শুতে পারলে আরো ভালো হ’ত সহিত ও বিহিত অব্যাহত।