ঠিকই তুমি হচ্ছ বড়।
আমরা সবাই ধীরে, ধীরে হচ্ছি বড়। সেই যেখানে ছেড়ে এসেছে একলা জীবন! বড় হচ্ছি জলের ভিতর মাছেরা যেমন কি খেয়ালে ডুবেছে মন তাদের মতন। সাঁতরে ওঠা জলের উপর হঠাৎ,হঠাৎ, আকাশ ধরার বায়না নিয়ে হলুদ ফড়িং! ঐ যেখানে তমাল বনে, বর্ষা…
আমরা সবাই ধীরে, ধীরে হচ্ছি বড়। সেই যেখানে ছেড়ে এসেছে একলা জীবন! বড় হচ্ছি জলের ভিতর মাছেরা যেমন কি খেয়ালে ডুবেছে মন তাদের মতন। সাঁতরে ওঠা জলের উপর হঠাৎ,হঠাৎ, আকাশ ধরার বায়না নিয়ে হলুদ ফড়িং! ঐ যেখানে তমাল বনে, বর্ষা…
রাত জাগা দুটি চোখ! কত না করে সয়েছে, আঁধারের রাত তাই কে কবে’বা জেনেছে? হারিয়ে’কি যেতে চেয়েছো, ও বেলায় ছুটি নিয়ে, হারানোতে কি আর পাবে? এ’বেলায় আসতে চেয়ে। জানতে’তো পারিনি তোমাকে, সে আমার অক্ষমতা। তোমার মত, হৃদয় কি আছে? আছে…
ভালো হয়, যদি একবার আমাকে ছাড়িয়ে যাও, তোমাকে দেখি যতবার, মনে হয় কত দূর্লভ! এত ক্ষুদ্র স্থান, বর্তমান তোমাকে ভরাবার নয়, যদি ছাড়িয়ে যেতে পারো, সে হবে আমার অহঙ্কার। বার, বার চেয়ে থাকা, সে’তো শুধু বসে থাকা হয়। তোমাকে ওত…
মরতে মরতে বেঁচে আসলাম আমি ফিরে এসে দেখলাম সেই মৃত্যুর উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আছি। যেমন করিয়া সাহারা মরুভূমির বুকে জন্ম নেবে হাজারো গাছ ঠিক তেমনি করিয়া নীল বাংলা হয়তো একদিন ঢেকে যাবে আবচ্ছায়ার চাদরে। আকাশের ভিতর থেকে আকাশ যেন্ ঝরিয়া যাবে…
একটি রাত এসেছিল আমার জীবনে একটি কথা রয়েগিয়েছিল বাকি। তুমি আসোনি দাও নিতো দেখা আকাশ বাতাস মরু পাহাড় নীরবে নীল বেদনার কারাগারে।
আমি সেখানেই আছি দাঁড়িয়ে যেখানে দাড় করিয়ে রেখেছো তুমি। আমি সেখানেই থাকি যেখানে তুমি থাকতে বলেছো।
দেখেছি তাঁরে– আমার মনের মানুষ কোথা থাকে! জেনেছি ভালোবাসা বিরহের আশা আর জেনেছি অন্ধকারের রাশি যেথা রাতের নিস্তব্ধতায় হৃদয় শুকায় প্রেমের নক্ষত্রে স্নান করে। হয়তো বুকের ভালোবাসা ছুঁয়েছে মনকে ছুঁয়েছে তাঁরে; দিয়েছি উপমার শহর নগর বন্দরের উঁচু চিলেকোঠা…
ভীষণ ঠাণ্ডা থরথর করে কাঁপে কারা ওইতো, আবহাওয়ায় খবর দিয়েছে বয়ে যাবে শৈত্য। আশেপাশে আছে এমনকি কেউ যার নেই শীতবস্ত্র, করো দান করো দেও উপহার তুমি না দিয়ে কি করছো? ফুটপাতে যারা গরিব দুঃখী করছে রাত্রি যাপন, হয়ে যাও তুমি…