তমালিকা – অসীম চক্রবর্ত্তী
যে বাসটা রোজই থামে আজকে যেন থামলো না তমালিকা রোজই নামে আজকে কেন নামলো না মুখিয়ে শুধুই বকুলতলে রাস্তা পথের অন্তরালে উঁকিঝুঁকির নিমজ্জনে নির্জনতা নিয়ে প্রাণে মিটিয়ে মোর মনের আশা মৃদুহাস্যে ডাকলো…
যে বাসটা রোজই থামে আজকে যেন থামলো না তমালিকা রোজই নামে আজকে কেন নামলো না মুখিয়ে শুধুই বকুলতলে রাস্তা পথের অন্তরালে উঁকিঝুঁকির নিমজ্জনে নির্জনতা নিয়ে প্রাণে মিটিয়ে মোর মনের আশা মৃদুহাস্যে ডাকলো…
আঁধার নামে জোৎসনা সরিয়ে মোর বাতায়ন খুলে ভেসে শোকগাথা সুর রচিয়া গাহে বেসুরে সহসা হেসে। আমি ঢাকি মুখ পাশবালিশে ভালো তোরে খুব বাসি চুমু আলিঙ্গন ভরিয়া বালিশে কাঁদিয়া রাত্রনিশি। ধ্রুবতারা কহে শোকাবহে মোরে খোলা বাতায়ন পানে চেয়ে আঁধারের মাঝে…
বিরহের সুর হাকিকুর রহমান কি হবে তাহা জানিয়া, কেন আসে জল নয়নে তুমি সুখে রহো সখা, রহো তুমি পুষ্প শয়নে।। এপারেতে আমি সখা, ভাসি বিষাদের বানে ওপারেতে করো উচ্ছাস, কোন সে স্তব গানে। হৃদয়ে তো দিয়েছো তালা, বুঝিবে কি করে…
চারিদিক থমথম করি জলধর দেখি রৌদ্র লুকায়ে মেঘ আড়ম্বর। গগনভেদী গগনাম্বু বজ্র বেদনী মেদুর বাতাস বহে জুড়ায়ে ধরণী থামায়ে হিংস্রতা বনের মর্মর। অস্থির তটিনী রেগে ফাঁপিয়া বর্বর। জনশূণ্য পথঘাটে অবিশ্রান্ত ধারায় নিঃশব্দ নামিল আসি মধ্যাহ্ন ছায়ায়। কল্পতরু বৃক্ষতলে তিমিত বসনে…
মন বলছে তুমি আসবে আবার ফিরে উতলা আমি ফুরিয়ে মনের তীরে। অভিপ্রায়ের কাতর মনের পীড়ে ভরিয়ে জোয়ার আসবে ঢেউ এর তোড়ে। মাতাল হাওয়া বাঁশবনে তার পরশ বুলিয়ে মনে, মোর বিরহিনীর সাহস। নক্সী কাঁথায় ফুলের তোলা ফেলে আসবে পায়ে নিক্কনেরই তালে।…
এসো মোরা ফিরে যাই গত জীবনের ধ্বংসস্তুপে তুমি ডেকে নাও শ্রাবন আমি সিন্ধু, তবু যদি হয় ভালবাসার দীক্ষাস্নান, তবে পুরোটুকু তুমিই নিও, আমি না হয় নেব সবটুকু অবক্ষয়।
ক্রমশঃ টের পাচ্ছি বয়সটার বয়স বেড়ে গেল বলেই সরে পড়ছে ধীরে, চারপাশে স্থায়ী তাঁবু গাঢ়ার শব্দ শুনতে পাচ্ছি, জেঁকে বসেছে বিধ্বংসী একাকীত্ব আর মায়াবী নিঃসঙ্গতা, বেশ চলো- একাকীত্বের হাতটা তুলে নেই হাতে, তারপর হেঁটে যাই গাঢ় নিস্তব্ধতায়, এর আদিগন্ত মৌজা…
অরণ্য মজিদ বাড্ডার মোড়ে মোড়ে কুকুরের আড্ডা। চুপ করে যাও কে দেখি তোমার ব্যাগটা? আরে আরে করো কী, ভুল করে ধরো কী? ভুল নয়, ভুল নয়, টোল নয়, টোল নয়। সারারাত জেগে জেগে জোরে গলা হেঁকে হেঁকে পাহারা দি দেশটা।…