ডাকচিঠি-৫৫
জানি না কার হৃদয়ে কে থাকে তবুও লিখছি নবদিগন্তের জীবন ধার করে – খুব অদ্ভুত নিদারুণ সংকটজনক অভিমানে কিছুটা সংক্ষেপে। একটি বালিকার মত হৃদয়ের গভীরে রোদ্দুর বেশান্ত অগ্নিশীল প্রলয়ের শিখাতে । হাজারো ফুলের ভিতর থেকে একশো বছর বাঁচার আয়ু থেকে…
জানি না কার হৃদয়ে কে থাকে তবুও লিখছি নবদিগন্তের জীবন ধার করে – খুব অদ্ভুত নিদারুণ সংকটজনক অভিমানে কিছুটা সংক্ষেপে। একটি বালিকার মত হৃদয়ের গভীরে রোদ্দুর বেশান্ত অগ্নিশীল প্রলয়ের শিখাতে । হাজারো ফুলের ভিতর থেকে একশো বছর বাঁচার আয়ু থেকে…
চাঁদকে ছাড়িয়ে, কি খুঁজিস মেয়ে, মেঘেরা তো বহু নীচে, ভেজাবার ষড়যন্ত্র করে ! আরো নীচে আমি আছি, হাঁটুগেড়ে, ভিজে যাওয়া সিকান্দর, তোকে হাতে ধরে ! আরও নীচে, অনেকটা পথ গেলে, কিছু কিছু ভেজা ঘাসে মগ্ন কবিতা লেখা আছে – তোর…
ভালোবাসা ভোরের হালকা শীতল বাতাসের মতো নির্মল। ভালোবাসা শিশুর মনের মতো সততায় পরিপূর্ণ। ভালোবাসা সূর্যের আলোর মতো উদার। ভালোবাসা আত্মার মতো অমর। ভালোবাসা ঈশ্বরের চরণের মতো পবিত্র। ভালোবাসা মৃত্যুর মতো অপরাজেয় ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়। — অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী…
আল্লা তুমিই তো আমার সব। তুমি ছাড়া আমার আর কে আছে? আমার মা বাবা নেই নেই কোনো আত্মীয় স্বজন এই জগতে সবাই আমার পর নিজের বলে কেউ নেই। আল্লা তুমিই তো আমার মা বাবা তুমিই তো আমার আত্মীয় স্বজন তুমিই…
কেউ কি দেখে? -শারমিন ইসলাম শর্মি পুড়ে যাওয়া এই যে সময় বিবশ বিকেল একলা দুপুর, নিত্যনতুন জ্বালায় জ্বলা রাতের প্রহর। কেউ আছো কি, দেখবে এসো! দেখবে এসো দীর্ঘশ্বাসের আতশবাজী বুকের ভিতর কোথাও একটা সলতে পোড়া গন্ধ মাদক। কারো কারো মিছেমিছি…
দিনগুলি উজ্জ্বল একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো সব প্রান্ত জুড়ে ছড়িয়ে আছে দিগন্তের মতো প্রশস্ত পাহাড়ের চূড়ার নীল রঙ
ঠিক যেন আমাদের ইংরেজির ছোটো হাতের এল, চিনে ভাষায় একে বলে রেন, তার মানে এক ব্যক্তি । আর টি হয়ে যায় সেটাই, এলের মাথাটা কেটে দিলে, টি নয় সেটা চিনে তে, দাদাগিরি না করেও ডা বা দা, এর মানে দাঁড়ায়…
সেখানে আলো জ্বলছে সমুদ্রের মতো নীল আকাশের মতো বিশাল ঝলমলে ঝলমলে এক হাজার নক্ষত্র আকাশকে আলোকিত করে