![]()
একটি দেশের স্বার্থ হাসিলে আহার জুটাবে বলে,
লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী কৃষক পরিশ্রম করে চলে।
গরমে-শীতে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, জ্বালা পারি দেয়— কোনক্রমে?
বুকভরা আশায় এ কৃষক ফসলের ক্ষেতে নামে।
লাঙল-জোয়াল জানে, আর নবনব প্রযুক্তি জানে, কাদামাখা দুটি বলদ;
তার ক্লান্ত চোখে সব মানে?
হাসে! ভোর হাসে, জ্যোৎস্না রাতে কালো-কালো মেঘ হাসে।
কেমন করে এ কৃষকরা দাঁড়ায় ফসলের পাশে?
স্তব্ধ আকাশ-বাতাস-মাটি ক্লান্ত শ্বাস ফেলে বাঁচে,
মাঠভরা সবুজে-সবুজময়, ফসলের আশ্বাসে।
কাঁদে প্রাণ দুনিয়া, কৃষকের মুখপানে চেয়ে চেয়ে,
জনহিতকর কল্যাণে এ কৃষকরা খেটে চলে রাতদিন বয়ে।
কী দুঃসাহস চমকায় কৃষকের প্রাণে—
কৃষকরা দেখেনা খররৌদ্র, কৃষকরা জানেনা কাদা,
কৃষকরা দেখেনা ঝড়-যুদ্ধ, কৃষকরা মানেনা বাঁধা।
জানে, শুধু ফসলের মাঠ জানে,
রূপরেখা একে এ দেশের প্রাণে।
রক্ত ঝরছে ঘামে—
এত যে কষ্টের ফসল, কৃষকরা বেচছে স্বল্প দামে!
কৃষাণ, কৃষাণ,
তোমার জীবনের অমূল্য সম্মান।
স্বদেশের ঋতুতে জাগাও নব ফসলের প্রাণ।
নব প্রজন্মের কাছে—
তোলে ধরো নবনব প্রযুক্তি, আধমরা নিস্তেজ গাছে
জুড়ে দাও জাগরণের শক্তি।
গতিশীল হাত তোমার—চালাও বারে বার,
আরো জোরে, আরো জোরে, উর মাটি চুর করে,
তবে আনো নব বৃক্ষের সাজ।
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)