![]()
বারবার বই পড়ো
কলমে — সুব্রত পণ্ডিত
সংকলন — শূন্যর শূন্যস্থান (প্রথম খণ্ড)
“বই বিনা ছাই এ জীবন”।
বই নিয়ে টানাটানি, ছেঁড়াছেঁড়ি, ছুঁড়াছুঁড়ি, গড়াগড়ি—রাগে হয়েছে অনেক।
অনেক হয়েছে পাঠ্যবই পড়াশোনা, বই পড়ে পরীক্ষা।
পরীক্ষা হয় আবার বই দেখে—চলছে চলবে, ঘটনা আরও অনেক।
নানা ঘটনা, নানা প্রেক্ষাপটে শব্দচয়নের জাদুতে, অসংখ্য ব্যাকরণের বাক্যে
বিরামচিহ্ন আঁকেন লেখক।
লেখক তাঁর বইটির নামকরণের স্বার্থে মনের ভাব বইয়ের পাতায় পাতায় লেখেন,
কিন্তু প্রকাশ করেন প্রকাশক।
প্রকাশক দেখেন প্রকাশনীর লাভ—
প্রকাশিত বইটিকে ভালোবাসছে ক’জন,
কিনেছে কতজন পাঠক।
পাঠক-ই শেষ কথা।
নানা মনের নানা বাসনার নানা চাহিদার পাঠক আজ।
কিন্তু অনুভূতিতে একই থাকেন লেখক।
অনুভূতি দিয়েই লেখক পাঠককে হাসাতে পারে, কাঁদাতে পারে, ভাবাতে পারে।
বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টাতে বাধ্য করে।
বাধ্য হয় লেখনীর গতি পাল্টাতে,
বাধ্য হয় সামাজিক চিত্র প্রদর্শনে,
হতাশায় বাধ্য হয়ে ব্যঙ্গোক্তি ঝাড়তে।
উক্তি সরল হোক বা বাঁকা—
যুক্তি দিয়ে লেখক লিখবে,
পরে পাঠক পড়ে যুক্তি সাজাবে।
এটাই নিয়ম।
এটাই নিয়ম—
প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপটগুলি পড়ো বর্তমানে।
অতীতের বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে হোক ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ।
নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পৃষ্ঠাগুলিতে চাই সুন্দর বাঁধন—
মলাট দেখলেই মনে আসবে আনন্দের আন্দোলন।
নানা আন্দোলনে, নানা আনন্দে নানান বই রচিত হোক।
নতুন–পুরোনো সব বই মিলেমিশে হোক একাকার।
ই-বই হোক বা মলাট বই—ফারাক কিছুতেই নেই।
বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে অশুভ শক্তিকে করো ছারখার।
জ্ঞানের খনি হলো বই—
যেখান থেকেই জ্ঞান নেবে, নাও।
জ্ঞানী হতে গেলে বই পড়তে হবে বারবার।
“বারবার বই পড়ো।”
নিজের বুদ্ধি দিয়ে সব সমাধান খুঁজে বের করো।
একজোট হয়ে শক্ত সমাজ গড়ো।
জীবনটাই একটা বই—
লেখক তুমি নিজেই।
খারাপ বই বলে কিছু নেই।
শুধু “বই বিনা ছাই এ জীবন”—এই শ্লোগানটি ধরো।
বইমেলায় বই পার্বণ,
উৎসবে জীবনযাপন,
বই পড়ে জ্ঞান অর্জন,
কর্মতৎপরতায় জ্ঞান বিতরণ শুরু করো।
জীবনের নানা মোড়,
নানা পরিস্থিতির মোকাবিলায়
সময়োপযোগী সঠিক একটি বই খুঁজে—
শুধু পড়ো। শুধু পড়ো। শুধু পড়ো।।
—
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)