মুখোশ
পরেছো মুখে মুখোশ তুমি হয়েছো চোখে অন্ধ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছো তবু পাচ্ছো না কো মানুষ মরার গন্ধ । বন্ধ নাক,বন্ধ কান, গেছে তোমার বুদ্ধি মরছে মানুষ ও ভাঙছে সমাজ এটাও হচ্ছেনা উপলব্ধি। বলি শোনো হে ভাই আর নয় মুখোশের খেলা…
পরেছো মুখে মুখোশ তুমি হয়েছো চোখে অন্ধ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছো তবু পাচ্ছো না কো মানুষ মরার গন্ধ । বন্ধ নাক,বন্ধ কান, গেছে তোমার বুদ্ধি মরছে মানুষ ও ভাঙছে সমাজ এটাও হচ্ছেনা উপলব্ধি। বলি শোনো হে ভাই আর নয় মুখোশের খেলা…
শূন্য আকাশ শূন্য বাতাস শূন্যে যে সব ভরা, চলবে না যে জীবন খানি শূন্য কে ঐ ছাড়া। শূন্য হয়ে সূর্য খানি রোজ ভোরে দেয় হানা, ব্যর্থ প্রেমে শূন্য বুঝি হলো হৃদয় খানা। অংকে খোকন শূন্য পেয়ে হরায় মুখের হাসি, মুদ্রা…
গ্রীষ্মের বিকালে বা দুপুর বেলায়,, বিশ খানা টাকা নিয়ে চলেছি মেলায়। মনে কত ফুর্তি যে কি করে বুঝাই, পায়ে পায়ে বাতাসে ধুলো যে উড়াই। আরো কত লোক চলে এই পথই ধরে,, কত শত লোক দেখি মেলার এই ভিড়ে। চারি দিকে…
যতই বলুক মোটের পরে দস্যু ছেলে আমি ভিতর গাঁয়ের রূপকথা যে শুধুই আমি জানি নিশীথ শেষের আঁধার মাঝে যেতাম যদি থামি জানতেম তবে কেমনে, সে যে অতুল দামি । নানা রঙের পথটি বেঁয়ে সেথা যবে যাই পথ পাশের আশমানী ফুল…
এক ভূতো ছোকরা পরনে সে পাজামা বুকে তার কলম হয়েছে যে যদুর মামা সকলে তাকে চিনি মোরা চলতে ফিরতে হারায় দম । এক ছিল বৈশাখ দুপুর টলতে টলতে চলছে গরু হঠাত্’ই পড়ল তার সামনে বলল নিয়ে এক মুঠা তরু এই…
তুমি দুর্দম বায়ু মাঝে, তুমি শান অরূঢ় ণিণাদে বাজাও তুমি দশদিক; তাই নির্ভয় ভবনে তুমি দশরথ, যাহা যুযুৎসু, নিরবতার প্রতি নির্ভিক তাই তুমি সুন্দর, প্রকৃতির অপরূপ দান। তুমি চির বসন্তের মাস্তুল কায়া ছিন্ন পালে যাহার সাধ মেটে না তবু তাইতো…
তবে অর্ধ যতনে রাখিবে তাহারে, ভিন পরী, অনতল সে সুধা ঢাকিতে নারে প্রাণ হয় যে ওষ্ঠাগত, অনিদ্রা দামে, ফির চিনি তারে যবে, প্রনামে চরম শতশত; আমি তা কহি না, -বরং তোমা মুই ডরি, তাহা কি তাহার’ই ঘর বিবেক যে করেছে…
কে হে তুমি, যতেক নাম তোমা, তত রাগিনী অম্লান চিত্তে ভরি ওঠে সুর কে হে তুমি, শতেক অশ্রুবিন্দু সাজে তোমা আখি তুমি নহ ভঙ্গুর, প্রেমে ভরপুর শত প্রনাম তোমা পদে, মাতঙ্গ সম রাখি; এ হেন শান্তি সদা রহে, সদা গড়ি…