ঝিনুক রতন
ঝিনুক রতন তোমার কথায় তোমার ছবি মধ্যরাতে আঁকতে বসি মুগ্ধ কর ওই এলো চুলে সাজাব তাই জোনাকিদের ডাকতে বসি তোমার কথায় তোমার ছবি আঁকতে বসি কিন্তু একি তখন দেখি বিষন্নতায় মুখখানা ভার মন খারাপে বুক মুখ আর হৃদয় তোমার পুড়ছে…
ঝিনুক রতন তোমার কথায় তোমার ছবি মধ্যরাতে আঁকতে বসি মুগ্ধ কর ওই এলো চুলে সাজাব তাই জোনাকিদের ডাকতে বসি তোমার কথায় তোমার ছবি আঁকতে বসি কিন্তু একি তখন দেখি বিষন্নতায় মুখখানা ভার মন খারাপে বুক মুখ আর হৃদয় তোমার পুড়ছে…
শোক সংবাদ যখন শুনি কেঁপে উঠে মোর অন্তরতম ভূমি এই বুঝি এলো ডাক ছাড়তে এই ধরা সেই ভাবনায় মন হ’য়ে থাকে উতলা। মাতৃভূমি ছেড়ে থাকি দূরের দেশে যমদূত এলো বুঝি রাখালের বেশে কে যেন হেঁটে যায় নারী কণ্ঠে হেঁসে মাঝেমাঝে…
গোশাইস্থলের পূর্বপাশে – সৈয়দপুর, সুতার মুড়ার উত্তরে, ঘাগুটিয়া- দৌলতপুরের দক্ষিণে সিনাই নদীর তীর ঘেঁষে বিস্তৃত এক ঝিল, মোদের মনোহরী পদ্মবিল। প্রকৃতি প্রেমী আসে, পদ্মবিলে ভাসে – দক্ষিণা সমীরণে দোলে পদ্মের শির পদ্মের প্রেমে পড়ে বিদ্রোহী বীর। বুকের অলিন্দের ব্যাথা তাড়িয়ে…
পাগলী তোমায় রাগিয়ে দিয়ে রাগ ভাঙাব পাগলী তোমার নরম নরম শব্দ মালায় পাগলী তোমার লাল গোলাপে পাগলী তোমার মন খারাপে একপশলা বৃষ্টি হব পাগলী তোমায় চমকে দিয়ে নিজেই একটা গোলাপ হব পাগলী তোমায় বিষন্নতার সন্ধ্যা বেলায় ;ঘুম জড়ানো উপন্যাসে দু’চোখ…
কত আনন্দের কিরণ এসে ছিলো ঘরে, বেলা শেষে ঠিকই বেদনার কালো ছায়া পড়ে! ভেবেছি যতই দূরে যাবো ততই সুখের পাবো ছোঁয়া! ধীরে ধীরে নেমে আসে দেখি আরো অসিত ধোঁয়া! শৈশব টাই ছিলো মজার ভাবছি বড় হয়ে! বুঝছি যতই পৃথিবীকে,কাঁপছি ততই…
সেই প্রভাতে -ভাস্কর পাল সেই প্রভাতে পুব আকাশে ওঠেনি তখনও রবি দিগন্তে ছড়িয়ে দিয়েছে কমলা আভার বার্তাটি। পাখির গুঞ্জন যাচ্ছে শোনা আকাশ ভরা স্নিগ্ধ ছায়া কৃষ্ণচূড়ার গন্ধ ভাসে প্রভাতে বইছে মৃদু হাওয়া। গাছের পাতা সবুজ বড্ডো হৃদয়ে এনেছে কোমল স্পর্শ…
রাতের কবিতা খুব বড়োই স্নিগ্ধ মধুর মালতী লতার মতো সাজিয়ে রেখেছি কত ফুলের মালা শুধুমাত্র তোমাকে দেবো বলে কোনো এক হেমন্তের সন্ধ্যায় তুমি আসবে শহরের চেনা পথে একপশলা বৃষ্টির জলধারায় তোমার হাতে তুলে দেবো আমার সমস্ত দুঃখের অদ্ভুত ভান্ডার এতদিন…
তোমাকে ডাকতে চাই মন বলে। তোমার তো ডাক নাম আছে। তোমার তো মিষ্টি একটা নাম আছে’ তবু মন বলে ডাকতে চাই। যুগল প্রেমের স্রোতে ভাসতে চাই বকুল চামেলি বলে ডাকতে পারি। জ্যোৎস্না’আকাশের তারার কাছ থেকে মনোমুগ্ধকর কোনো নাম আনতে পারি।…