বদল দিন
আচ্ছে দিন আসবে বলে, বসে আছি জানলা খুলে। জানলা দিয়ে দেখি, মৃত্যু মিছিল একি। বিনা চিকিৎসা আর অনাহারে, মরছে মানুষ হাজারে। লক্ষ কোটি যৌবন আজ, বেকার জ্বালায় মরে। তবুও আজও বেঁচে আছি, আচ্ছে দিনের তরে। গরিব আরো হচ্ছে গরিব ধনীর…
আচ্ছে দিন আসবে বলে, বসে আছি জানলা খুলে। জানলা দিয়ে দেখি, মৃত্যু মিছিল একি। বিনা চিকিৎসা আর অনাহারে, মরছে মানুষ হাজারে। লক্ষ কোটি যৌবন আজ, বেকার জ্বালায় মরে। তবুও আজও বেঁচে আছি, আচ্ছে দিনের তরে। গরিব আরো হচ্ছে গরিব ধনীর…
স্রস্টার হুকুমে সৃষ্টি মরেছে তার দায়ভার আমি ক্যানো নিবো? তারপরও দিয়েছি লাশ প্রতি পঞ্চাশ হাজত খাটাবো করিস যদি কাপঝাঁপ। মিছিল মিটিং সভাসমাবেশ অবরোধ হলে গাট্টি গুটিয়ে পাঠাবো ভবের ঘরে ডালভাত খাবি, দিব্যি আরামে ঘুমাবি চিন্তা থাকবে না মনে, ঘুরতে হবেনা…
যদি এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন হয় তবে আমি ব্যর্থ হতে চাই ব্যর্থ হওয়ার মতো করে। মৃত্যুর প্রতিশোধও আমাকে আরো পথ দিতে চাই মুঠোয় আমার প্রাণ সমুদ্র সংকেত পিরামিড বাড়ছে আমার পরাজয় নিশ্চয় বিষন্ন চোখ। যদি মৃত্যুর পর এক দিনের ও…
কে নেভাল প্রদীপ? কে নেভাল আলো? জ্বালাও তার ঘর, জ্বালাও তার প্রাসাদ চারদিকে লাশের সারি, কতো আহাজারি পা নেই-হাত নেই, নেই মাথার খুলি। চোখ ফেটে এলো জল – দ্যাখে অন্তঃসত্ত্বা নারীর রোদন বিহ্বল। সাত মাসের শিশু আসে মামার কাঁধে দিয়ে…
পাখির গ্রাম গণেশপুর শূন্য ঘরে শূন্যতায় পুরে জীবনের সুখ খুঁজে ধারে ধারে কপালে মিললো না মাথা গুজার ঠাঁই। আজ এখানে কাল সেখানে, পাখির মন বসে না কোনো খানে। ঘর ছাড়া গ্রাম ছাড়া, সুখের সন্ধানে দৌড়ে পালায় এ পাড়া ঐ পাড়া।…
রাত্তিরের কোলে চন্দ্রালোক দোলে, কোন সে ভবঘুরে হেঁটে যায় পথে কার কিইবা যায় আসে তাতে- নিয়তির দ্বারে তুমি আমি সে কারও কোনও অগ্রাধিকার নেই- সকলেই তো সময়ের অনুগত দাস।
কহো, কহো, ওহে কহিয়া যাও এ রহে মিনতি মোর- বহো, বহো, তুহে বহিয়া যাও খুলে দিয়ে প্রীতি ডোর।। ছাড়িয়া নিদ্রা, ভেবেছিনু যবে সাথে যাবো তব সঙ্গে, মাঝপথে হেরি, হইলো যে দেরী কাটিলো যে কাল রঙ্গে। খুলিয়া নেত্র, চেয়েছিযে পিছে পাইনিতো…
পৃথিবীতে কদম রাখলে যেতে হবে ছেড়ে এ নিয়ম উপেক্ষা করার মতো অপশক্তি নেই ভবে। চেঙ্গিস খানের অগ্নিতে দগ্ধ হ’য়ে মরে ছিলো যাঁরা মৃত্যু কতো ভয়াবহ, ভয়ংকর দ্যাখে ছিলো তারা। হুসাইন অনুভব করে ছিলো মৃত্যুর দীর্ঘতম কষ্ট সীমার বুকের ‘পর বসে…