নিজের উদ্দেশ্যে
তুমি নাকি তুমি নাকি তুমি নাকি কম করেও তিরিশ বছর লিখছ? তার পরেও কেন যে তুমি বল এখনো তুমি কবিতাকেই শিখছ! এখনো তোমার হয়নি কেন যশ? তোমার নাম নেই এর ওর মুখে! কী…
তুমি নাকি তুমি নাকি তুমি নাকি কম করেও তিরিশ বছর লিখছ? তার পরেও কেন যে তুমি বল এখনো তুমি কবিতাকেই শিখছ! এখনো তোমার হয়নি কেন যশ? তোমার নাম নেই এর ওর মুখে! কী…
এই বির্বণ রাতের আধাঁরে কতো স্মৃতিই ফিরে এসে কড়া নাড়ে দরজার ওপারে। অন্তরে জমা লাল নীল কষ্ট গুলো আর সাই দেয় না দরজা খুলে দেখতে, ওপারে কে! ঘুমহীন রাতে বিষণ্ণ মনের ভাবনাগুলো রাতকে করে তুলে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর। ছাদ, বাঁকা…
শব্দে শব্দে যদি গেঁথে ফেলি উড়ন্ত সঞ্চরমান কিছু অনুভব — মিথ্যে হয়, মৃত হয় সব — তখন সে প্রাণহীন, সে তখন শুধু শীতল এক শব।
নিভেনি কারো জলে পোড়ালে যে অনলে বক্ষের নিখিল অন্দর তলে, তুষেরই মতো ক্ষত হয়ে জ্বলে; জীবনের রঙ বদলে যায় ধূসরিমার তুষানলে। কতো প্রহর অনাদরে কাটে বিনিদ্র অবসরে জ্বালা জুড়াই কবিতার অন্দরে, ডায়েরির পাতাগুলো ভরি কলমের আঁচড়ে; কবিতারাও একসময় বিষাদের কান্নায়…
আমি কেউ নই কিছু নই কবিতা দেবীর এক দাসী। কী জানি, কখন তিনি কৃপা করে দেন প্রসন্ন হাসি, সে জন্য চাতকের মতো প্রতি পল অপেক্ষা করে থাকি; কতই না উপাসনা তাঁর আমার যে রয়ে গেছে বাকি!
একপ্রান্তে আছি বসে অন্যপ্রান্তে তুমি দৃষ্টিকোণের অগোচরে আবছা আবছা শুনি কি শুনছি কি করছি বুঝছি কে তা জানে জানাজানির আবছা ডালে ওপারেতে তুমি ওহে বন্ধু ওহে সখা শুনছি তোমার স্বর স্বরেই নাকি ভাবছি আমি কেউ তো কারোই নয় এই জগতে…
জীবন আহমেত জীবন সম্পর্কে আর কী বা লিখব? ওটা, এখন হেঙ্গারে। ও ঝুলে আছে ছেঁড়া জামার ভাগ্য নিয়ে। এ জীবন নিয়ে আর কী বা লেখা যায় বলো ? যখন মনির, মাহামুদুর’রা আমার সহপাঠী ছিলো- তখন জীবনকে অগ্রহায়ণের আমন কিংবা ভোরের…
সে দিন আমার বুকে মুখ লুকিয়ে তুমি কাদছিলে ভুলিনি আমি সে দিননের কথা। অনিন্দ্যসুন্দর তাহার মুখখানা নিষ্পিষ্ট হয়ে গেল যেন তাহার অশ্রুজলে। নিস্তব্ধ বিকেলের সেই অন্ধকার ঘরে তুমি আমি রয়ে গেছি একা। কেহ নেই ঘরে তোমাকে আগলে রাখার মতো আমি…