দীর্ঘশ্বাস
যাকে আঁকড়ে বাঁচতে চাই, তার হৃদয়ে আমি নাই… হৃদয়ে তার অন্যের বাস যার কারণে এই দীর্ঘশ্বাস! মন পোড়ে বাহিরটা নয় ছাই না হলেও যন্ত্রণা হয়, এই যন্ত্রণা কে বা দেখে- সবাই তো নিজের মতো থাকে। পাশে থাকার নাম করে, অথচ…
যাকে আঁকড়ে বাঁচতে চাই, তার হৃদয়ে আমি নাই… হৃদয়ে তার অন্যের বাস যার কারণে এই দীর্ঘশ্বাস! মন পোড়ে বাহিরটা নয় ছাই না হলেও যন্ত্রণা হয়, এই যন্ত্রণা কে বা দেখে- সবাই তো নিজের মতো থাকে। পাশে থাকার নাম করে, অথচ…
ভালোবাসা মানে অপরাধ নয় তা নয় ঢের বেশি অপরাধের মতো কিছু , আপনি প্রশ্ন করুন উত্তর হয়তো পেয়ে যাবেন ; তবুও কিছু ভালোবাসা কলঙ্কিত অধ্যায়ের মতো চরম কঠিন সত্য- আপনি পারবেন কিছু জিতে নিতে কিন্তু পৃথিবীকে এভাবে হারিয়ে যেতে দেবেন…
এই শহরের গলি ধরে আরো কিছু পথ হেঁটে যেতে চাই, যে গলিতে হয়েছিল তোমার সাথে আমার প্রথম পরিচয়! শহর জুড়ে স্মৃতির মেলা তুমি পাশে নাই, তব স্মৃতি আঁকড়ে ধরে প্রতিনিয়ত বাঁচতে চাই! যে বুকে তোমার স্বপ্ন ধরেছি রাতের জ্যোৎস্নায়! আমার সে বুক ঝাপটে ধরেছে তোমারও ছায়ায়। হাতে হাত রেখে হয়নি চলা পাশাপাশি বেলা অবেলায়, চায়ের কাপে স্বপ্ন বুনেছি রাতের জ্যোৎস্নায়। পৌষের শীতে চায়ের কাপে বুকে প্রেম জমেছে তোমার কপটতায়, হাজার কথার ভিড়ে চোখ রেখে চোখে কভু বলা হয়নি ভালোবাসি তোমায়! এই শহরের গলি ধরে আরো কিছু পথ হেঁটে যেতে চাই! তুমিহীনা শহরটা আজ পরিপূর্ণ তোমার স্মৃতির মায়ায়। মনে কি আছে, তোমার সাথে আমার প্রথম দেখা? ড্রিম লাইটের ঝাপসা আলোই দাড়িয়ে ছিলাম একা? রাগ,ভয় আর অসুস্থ শরীরে তোমার দাড়িয়ে থাকা? কাপাকাপা কন্ঠে তোমার বলা প্রথম সে কথা? জানি মনে নেই, মনে না থাকারই কথা। ভালোতো বেসেছিলাম আমি একাএকা! আরো কিছুদিন আরো কিছু বছর হাটতে চাই,এই শহরের গলি ধরে স্মৃতির পাড়ায়! সঙ্গী হবে তোমার স্মৃতি, সেই যে হেঁটেছিলাম পাশাপাশি পনেরো থেকে বিশ পা। গলির মুখ থেকে চায়ের টং, চিনি ছাড়া রং চা।।
একুশ তোমার গল্প শুনছে , কান্না ভেজা ঘাস ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো আমার বাংলার ইতিহাস । বুক চিরে ওরা দিয়েছিল রক্ত , ঝরেছিল কত তাজা প্রাণ সন্তান হারা মায়ের অশ্রুতে সিক্ত – বাংলা ভাষার প্রাঙ্গন । ঢাকার রাজপথে সেদিন বাংলা…
ঢের বেশি সময় তার বুঝি সূএপাত আছে আছে না কি? কি আছে নূতনের ভিতরে পুরানের ইতিহাস না তো রামায়ণ – মহাভারত। এ তো ঢের বেশি শতাব্দী জুড়ে পাতায় পাতায় কাহিনী লেখা সেটাও নিশ্চয়ই সবসময় ভালো জেনেছি সরল মনে নতুবা ধর্মের…
গোটা দেশজুড়ে বানিজ্যেরে ঘনঘটা, তবে কি আগেকার মত গম-ডাল-ভুট্টা? দূরদেশী বণিকের আমদানিকৃত পণ্য- তেজপাতা-এলাচ-লং বস্তা ভরা নুন! পাটনাই বুট-গুড়-চিনি-গুবাক-ঝিনুকের চুন- মসলিন শাড়ী, সোনা-রূপা, হীরা মরকত জাহাজ ভরে আনয়ন বেয়ে উত্তাল সমুদ্র পথ। না’কি কি স্বদেশী পণ্য রপ্তানি? -ধান চাল-পাট-সরিষা তবে…
ভালোবাসা শব্দটার উপর যেমন আগুন তেমন আকাশ ভালোবাসার আগুন মাঝে মাঝে বের করে আনলে মানুষ উলঙ্গ , একটা সমাজ দীর্ঘ আকাশের সূর্যের তেজে পুড়তে থাকে তোমার ছায়াটা ক্রমশ দিনের শেষ ছোট আরও ছোট , সূর্য ডুবে গেলে সারা আকাশ…
ভ্রমর এলো চম্পাবনে গুনগুনিয়ে অধিকারের ঢাকনা খুলে বসবে গিয়ে দেহের বসন আলতো খুলে চম্পা ফুটে ঠারেঠোরে শুধায় ওগো নাওগো লুটে । অভিশপ্ত চম্পা বলেই ভ্রমর জানে তবুও আসে চম্পাবনে মোহের টানে ভ্রমর আসে তাই কি বনে চম্পা ফোটে? ইহার মানে…