চৈত্র মাসের দুপুরে।
চৈত্র মাসের দুপুরে। লেখক:– সোহন ঘোষ। চৈত্র মাসের দুপুরে বসে ছাদের উপরে গান গায় টিয়ে, ময়নাকে সঙ্গে নিয়ে। গান শুনে খোকা নাচে দুটি বাহু তুলে। খোকার এই নাচ দেখে খুকুমণি নাচে!
চৈত্র মাসের দুপুরে। লেখক:– সোহন ঘোষ। চৈত্র মাসের দুপুরে বসে ছাদের উপরে গান গায় টিয়ে, ময়নাকে সঙ্গে নিয়ে। গান শুনে খোকা নাচে দুটি বাহু তুলে। খোকার এই নাচ দেখে খুকুমণি নাচে!
মোদের দুর্গাপূজা লেখক:– সোহন ঘোষ। মোদের উল্লাস! মোদের আশা! মোদের এই দুর্গাপূজা। কি জাদু ঢাকের তালে, শুনলে কোমর দোলে। ঢাকের তালে বেজে ওঠে প্রাণ। গাইতে ইচ্ছা করে বাংলা গান। কি যাদু বাংলা সংগীতে, গাইলে, মন চায় নাচতে। বন্ধু-আত্মীয় সবার সাথে,…
ও পাড়ার টিয়া। লেখক:- সোহন ঘোষ। ও পাড়ার টিয়া, নাম তার রিয়া। শোনে না কারোর নিষেধ–মানা, চষে বেড়ায় সারা আকাশখানা। সারাদিন ঘুরে বেড়ায়, উড়ে উড়ে গান গায়। করে না কোনো উৎপাত, চুপ করে খায় দুধ–ভাত। কাঁচা লঙ্কা খায় চিবিয়ে, ঘুমোয়…
এসে গেল পৌষ মাস ………পৌষমাসে টুসু পূজা মকর সংক্রান্তির কবিতা (প্রথম পর্ব) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী মকর সংক্রান্তিতে পৌষ মাস শেষ, নদীঘাটে জমে ভিড় লোকজন বেশ। রাঙাপথে সারি সারি আসে গরুগাড়ি, স্নান সারি কেহ কেহ চলে নিজ বাড়ি। আজি হতে…
অজয় নদীর ঘাটে ………….অবশেষে বেলা কাটে অজয় নদীর কাব্যমালা (সপ্তম পর্ব) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী অজয় তটিনী বয় নতুন সকাল হয় পূবদিকে উঠে সোনা রবি, শীতের কুয়াশা দেখে রবির কিরণ মেখে মনে হয় যেন জল ছবি। নদীতীর সুশীতল বয়ে চলে…
অজয় নদীর ঘাটে…… অবশেষে বেলা কাটে অজয় নদীর কাব্যমালা (ষষ্ঠ পর্ব) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী ছাড়িয়া পূবের মাঠ অজয় নদীর ঘাট সারি সারি থামে গরুগাড়ি, গরুগাড়ি এসে থামে যাত্রীরা সবাই নামে নদীঘাটে মেঠোপথ ছাড়ি। অজয়ের নদীচরে একতারা হাতে ধরে বাউলেরা…
অজয় নদীর ঘাটে ………….অবশেষে বেলা কাটে অজয় নদীর কাব্যমালা (পঞ্চম পর্ব) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী গ্রাম সীমানায় বহে সকলে অজয় কহে কুলু কুলু সদা বয়ে চলে, প্রভাতে উঠিল রবি মনে হয় সোনা ছবি যাত্রী পার হয় দলে দলে। ছুটিছে গরুর…
ঘুম থেকে উঠে দেখি বৈকালে খুলে দ্বার, চারিদিকে ধুম ধাম আহা এ কি কারবার! বাঁশি বাজে পোঁহ পোঁহ ডুগি ডুগি টমটম, ভেদ নেই ছেলে বুড়ো বহুরূপী সমাগম। সর্পিল মেঠো পথে আরো ধেয়ে কে আসে! ডাঁশ মাছি মাতোয়ারা জিলাপির সুবাসে। বারোভাজা…