![]()
প্রেমের ভোরাই
কলমে- সুব্রত পন্ডিত
সংকলন- প্রেমের ভোরাই (প্রথম খন্ড)
-+
ছুটি বারে বারে কতো যে করি লড়াই। প্রেম যারা করে জানে শুধু তারাই।
কি আনন্দ কি অপরূপ তুমি ভোরাই। প্রেমী আমি তাইতো তোমার ছায়া মাড়াই।
চলতে চলতে তুমি কেন আলো ছড়াও। সবাই দেখুক একটুখানি, একটুখানি দাঁড়াও।
আলো দিলে তো দিলে, সংসারে এতো কিছু থাকতে ভোরে কেন শুনালে শ্রুতি-মধুর কূজন।
প্রতি প্রভাতে শুভেচ্ছা দেয় কতো স্বজন। প্রেমিক আমি না হয় গাই নিত্য তোমারি ভজন।
আলোর ঝরনার বন্যা তাই পাখির আনাগোনা। কূজন মেনে নিলাম, ফুল কেন ফোটাও।
নিরবে নিভৃতে প্রেমকেই ডাকলে। নিরালায় নিস্তব্ধে গাছের তলায় যুগলদেরও তবে জুটাও।
কুয়াশায় আলো খেলুক ক্ষতি নেই। ঘাসের আগায় দেখালে কেন হীরের শিশির বিন্দু ।
কাঁঠালে আঠায় পরিপক্ক প্রেম। প্রেমের পরিণতি পেতে তাই পাড়ি দিতে হলো সিন্ধু।
ঠিক ছিলো আকাশে লাল -সাদা-কালো মেঘ। সারি সারি সাদা বক প্রভাতে কেন ওড়ালে।
“সাদা মস্ত জাদা” মেনেই যখন নিলাম, তারপরেও রংবেরঙের রঙ্গিন ফুল কেন ফোটালে।
রঙিন রঙিন ফুল না হয় মনে ধরলো। ফুলের ভেতরে মধু তার উপর প্রজাপতিকেও আনলে।
আনলে যখন- ভ্রমরতো আসবেই। নয় কি? তব প্রেমের প্রেমিক মনকেই জাগালে।
এতো কিছু বুঝিনা। ভোর হলো ঠিক আছে কিন্তু দোর খোলো কেন বললে।
বিশ্ব সংসারের সমস্ত কিছুই ঢুকে গেল খোলা দ্বার দিয়ে। পেয়ে গেল প্রেমের আলো।
প্রেম পেয়ে, প্রেম দিয়ে প্রেমের শুরু হল সবার। ভোরাই তুমি এবার কি করবে বলো।
প্রেমের সৌন্দর্য, প্রেমের ভালোবাসা, প্রেমের ভোরাই। উপায় নেই, একসাথেই তবে চলো।
চন্দনা কহে ওহে লিলি এসো বাতাসে একটু দুলি। ভোরে মানসী স্নান করছে ওই মিতার ঘাটে।
সকাল বিকাল শিঞ্জিনীও মনের সুখে আড্ডা মারছে মেঘময়ের সাথে। রটনা যেন না রটে।
প্রেমতো খেলে ছিলো কৌশল্যার পেটে। দশ মাস দশ দিনে বেরিয়ে এলো নাড়ি কেটে।
কতো আবেগ, কতো আবেশ, কতো স্বপ্ন- দুজনের মনতটে। নাড়ী ছেদন! এ-ও এক ভোরাই বটে।
শিশুর হাসি, কিশোরীর দৌড়, নারীর চাউনি, কতো কিছু প্রেমের। অভিশাপও আশীর্বাদ হয়।
দৃশ্যমান নিত্যান্ত তুচ্ছটিও কবির পর্শ্বচেতনায় অনন্ত-অনবদ্য ছায়া-মায়া বোলাতে-ভোলাতে রয়।
ভোরাই তুমি প্রেমকে আলিঙ্গন করেছো আজীবন। প্রেমের আবেশ শুধু বাতাসে আবর্তিত হয়।
আহা! ভোরাইয়ের প্রেম। প্রেমের প্রতিটি আশ্বাসে ভোরাই দ্বিগ্বিজয় করে বেড়ায় নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।
তাই প্রেম অমর হলো সারা সংসারে, ভোরাই সদাই শুধু তারই- এই একটি মাত্র কঠিন বিশ্বাসে।
জীবনের সারাটি দিনইতো ভোরাই। প্রেম শুধু খেলা করে ভোরাইয়ের বাহুডোরে।
মানুষ গুলোর মতিভ্রম ঘটে এদিক ওদিক ছোটে। আর বুঝিনা! কেন কেঁদে মরে।
প্রথম আলো-রণে প্রেম। ভোরাইয়ের কোলে আলো করে এলো কবিতা ও সংগীত।
সংসারে ঝালাপালা তবুও স্বপ্নে বিভোর। কতো আশা কতো ভালোবাসা। অনুভুতির উদ্দেশ্যই মহৎ।
এইতো ভোরাইয়ের প্রেম। ওইতো প্রেমের ভোরাই। ধরতে- প্রেম দরিয়ায় হাবুডুবু খাচ্ছে জগৎ।
প্রেম, ভোরাই, কবিতা ও সংগীত এই হলো ছোট্ট সুখী পরিবার, আসলে পরিকল্পনা কিন্তু বৃহৎ।।
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)