শেষ চুম্বন
আমি তোমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠিয়েছিলাম বহু বছর আগে — তখন আমি তোমার হৃদয়ে ধুসর হ’য়ে শুকনো পাতার মতো ঝরে গিয়েছিলাম তোমার হৃদয়ে ভিন্ন প্রেমের উতালপাতাল ঢেউ তীর ভাঙছিলো। আত্মীয় স্বজন তোমাকে মন্দ বলবে বিধায়, বছরের পর বছর বাদুড়ের মতো ঝুলিয়ে…
আমি তোমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠিয়েছিলাম বহু বছর আগে — তখন আমি তোমার হৃদয়ে ধুসর হ’য়ে শুকনো পাতার মতো ঝরে গিয়েছিলাম তোমার হৃদয়ে ভিন্ন প্রেমের উতালপাতাল ঢেউ তীর ভাঙছিলো। আত্মীয় স্বজন তোমাকে মন্দ বলবে বিধায়, বছরের পর বছর বাদুড়ের মতো ঝুলিয়ে…
রিক্ততার বক্ষ ভেদ করিয়ে দাবানল টেনে আনো ওহে মুসাফির তুমি কি জানো কতো ব্যাথা মোর একাকী চিত্তে দাড় টেনে টেনে বসে কতদিন আমি হয়েছি একা কালো প্রবিত্তে মিশে কতো ব্যাথা মোর সোহাগে ধনিছে কতো ব্যাথা মোর প্রাণে কতো মহিরথি ফিরিয়াছে…
রক্ত আজিকে বন্য হে মোর বন্ধুসম ভাই আমিতো অবাক মৃত্যু শোকে হয়েছি আজিকে ছাই হয়েছি পাষাণ মাটির মূর্তি হৃদয় বিহীন মানুষ লেশ নেই আজ খোদ জীবনের উড়িয়ে দিয়ে ফানুস কি আর হবে ব্যার্থ চেষ্টা, অন্ধ হাতছানি মনুষত্বের উড়ছে ধ্বজা শত্রুর…
এই শহরের পথে বৃষ্টি ঝরে তোমার আমার অজানা ক্ষণে। চোখের বাহিরে যতদূর যাই তবুও ফিরতে পারিনা এখানে। মনের কাছে প্রশ্ন করে ইতিহাস ভুল হয়ে কি বা পাই মায়া জালের কাছে ? তবুও বিরহ নামে অন্তরে খোঁজ নিতে শহরের , চেনা…
আমি আর শূন্যতা আহমেত কামাল একটা ধূসর সকাল ঠোঁটে নিয়ে উড়ে যাচ্ছে,,, ভাত শালিকের মা। টাওয়ার দখলে রাখা পাখিও’রাও উড়ে যাচ্ছে মহানন্দার দিকে,, যেখানে আমার চোখ রোজ সেলাই করে থাকে নদীর কথাবার্তা। আমিও যাচ্ছি,, তবে আমার পাশের সিটে বসে আছে…
বয়স পয়ত্রিশ, যৌনশক্তি হ’য়েছে নিস্তেজ মাঝেমধ্যে হৃদয়ে একটু উঁকিঝুঁকি দেয় কামভাব এই বয়সে ভাবের সাগরে হাবুডুবু খেতে ইচ্ছে করেনা মনটাও আঠারো বছর বয়সের মতো ফুরফুরে নেই। এক পা গর্তে আরেক পা উর্ধ্বে — এই বয়সে এসেও তরী ভাসিয়ে বৈঠা মরতে…
বেইমান আমি কাগজের ঘরে থাকি কলঙ্ক আমি বদনামের কালি চোখে মাখি বিরহ আমি অন্যায়ের পথে চলি দাসত্ব আমি কুড়ে ঘরে থাকি। বেইমান বেইমান বেইমান এই সমাজ শুধু বেইমানের পথে চলে আমরা শুধু গোলামের কারিগর হাতে গড়ি ইতিহাস আর পাতে মারি…
আহা রূপমতী কলবলিয়া! নদী বড় সজল ছলবলিয়া একটি মাত্র ছড়া গলগলিয়া লিখেছিলুম সত্য বলবলিয়া সেই নদীর পাশেই চলচলিয়া ছোট্ট ছড়াখানি ছলছলিয়া গেল নদীর ভেতর তলতলিয়া নদী সবই ভাসায় পলপলিয়া! কলবলিয়া তাও হাসে খলখলিয়া নদী বড়ই দুষ্টু গো জলবলিয়া!