আবেদন
তোমার যৌবন শুধু একটা দুপুর, রাত জেগে থাক, একটি দুপুর যা একটি দিনের টুকরো, এবং দ্রুত প্রাক্কালে সমস্ত মিষ্টি জিনিস বহন করে, সমস্ত মিষ্টি জিনিস এবং সমস্ত তিক্ত, গোলাপ এবং আগাছা। অন্যের সুখের জন্য যিনি বেঁচে থাকেন, তিনি সত্যিই বেঁচে…
তোমার যৌবন শুধু একটা দুপুর, রাত জেগে থাক, একটি দুপুর যা একটি দিনের টুকরো, এবং দ্রুত প্রাক্কালে সমস্ত মিষ্টি জিনিস বহন করে, সমস্ত মিষ্টি জিনিস এবং সমস্ত তিক্ত, গোলাপ এবং আগাছা। অন্যের সুখের জন্য যিনি বেঁচে থাকেন, তিনি সত্যিই বেঁচে…
ছাইপাঁশ লিখতে আর ভালো লাগেনা কি লাভ কলমের কালি শেষ করে খাতার সফেদ পাতাগুলো ভরিয়ে। আমার লিখা কি কোন পরিবর্তন আনতে পেরেছে জরাজীর্ণ সমাজের নড়বড়ে আইনের পরিবর্তন করতে পেরেছে কি বর্ণবৈষম্য? আর মিছেমিছি কালি ঝরাবো না বন্দী করবো না মুক্তভাবে…
আমি তখন দেখছি, বৃষ্টি এলো দুপশলা ঘাসগুলো সব ভিজে মালার আবরণে ঢাকলো আত্রাইয়ের তীরে দেখেছি অনেক স্রোত, সেদিন পূর্ণিমার রাতে না, তীব্র সূর্যের দাবদাহের সেই বৃষ্টি বাড়ি গুলো স্নাত হয়ে ফিরল শেষে নতুন পোশাক জরাজীর্ণ গায়ে ঝলমলিয়ে ফুটছিল এভাবেই আমরাও…
আমার একটা মেঘরঙা শাড়ি সাধ করে চাই! কোন জাদু থেকে আমি তেমন মেঘশাড়ি পাই? মেঘের কথাই মনে এসে যাবে দেখলে শাড়িটা মনে হয় যাব মেঘেদের দেশে, টানা সে পাড়িটা! আরো চাই বৃষ্টি মাখানো একটা নরম পোষাক বরষা আমাকে সেই বিপণীর…
কাদের হাতে দায়িত্ব পথ দ্যাখানোর — প্রতিটি সেক্টরে কাজ করছে ভারতের লোক এঁরা সাধারণ লোক নই, দক্ষ — প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ভারতীয় এজেন্ট আর.এস.এস এর- নীরব দালাল। অনেকের নাগরিকত্ব বাংলা-ভারত দুই দেশেই আছে খুটিনাটি পথঘাট রপ্ত করে নিচ্ছে ছদ্মবেশে। আর.এস.এস নাড়ছে…
একটি গাছ লাগিয়ে ছিলাম ভালোবাসা গাছ হবে বলে এবং কিছু বছর এভাবে যাওয়ার পর ভালোবাসা গাছ হলো বিরহে বিরহে….. রক্তের নদী শুকিয়ে গেল প্রেমের নদী বয়ে আসলো হলুদ চিঠির লাল পাতা জুড়ে ; চোখে কোণে রাত জাগার প্রকট চিহ্ন যা…
——- শামছুউদ্দিন হাওলাদার তোমাকে তো আমি জানতাম না তুমি ছিলে বড্ড অচেনা। জানতামই না সেই অচেনা মানুষটাকে, কখন কোন ফাঁকে তুমি হয়ে গেলে প্রিয়পরমা নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে শুধু তুমি, আমার কল্পনার জগত, আমার বাস্তব আমার স্বপ্ন, আমার চিন্তা সবেতেই জুড়ে আছে…
সবে মাত্র কবিতার নামকরণ করেছি ‘ভবি-তব্য’ হঠাৎ কলিংবেলের শব্দ .. দরজা খুলেই ! বিস্রস্ত বেশ বিস্রস্ত কেশ দেখে মনে হলো সর্বহারা সব শেষ । আমি চমকে এলাম বেরিয়ে ! বলার ভাষাটুকুও গেল হারিয়ে । এ কোন দৈন্য দশা ? নেই…