এ মোর প্রার্থণা
মনের অভিলাষ নাহি যদি হয় পূরন; হব না ব্যাথিত করিব সঞ্চিত সকল তেজস্বীতা, অদম্য চিত্তে তপস্বী হইব লুণ্ঠিতে সকল বিভীষিকা। ধরণীর বুকে কভু; নাহি যেন হই লাঞ্ছিত, নির্মল জ্যোতি; পূর্ণ দ্বীপের ভাতি হইতে নাহি যেন হই বঞ্চিত পূর্ণ করো, করো…
মনের অভিলাষ নাহি যদি হয় পূরন; হব না ব্যাথিত করিব সঞ্চিত সকল তেজস্বীতা, অদম্য চিত্তে তপস্বী হইব লুণ্ঠিতে সকল বিভীষিকা। ধরণীর বুকে কভু; নাহি যেন হই লাঞ্ছিত, নির্মল জ্যোতি; পূর্ণ দ্বীপের ভাতি হইতে নাহি যেন হই বঞ্চিত পূর্ণ করো, করো…
ঝঞ্ঝাটে আজি ঘন বর্ষণে, কম্পিত-ধ্বনি গর্জে গগনে ! বৈশাখী-দাহে ধরনী ভগ্ন শ্রাবণে ধরাতল জল-মগ্ন । চঞ্চল-বিহঙ্গ-হর্ষে-কুহরে ; উদবেলিয়া উড়ে সুদূরে-অম্বরে , আলোকে-উজ্জ্বলে অরুণ-দোলে সিক্তপত্র হাসে দুঃখ ভুলে, চঞ্চল-প্রভা উজ্বল-প্রত্যুষে শান্ত-তরু, কন্দ জলে ভাসে। উদাসী-হাওয়া-বহে দখিনাহ্বানে , শাওন-সিক্ত-মেঘ, মাঠে-ধান-বোনে। পল্লী-গৃহীনি দোদুলে…
এই সমাজে আমার একটা ইজ্জত আছে কুরবানির ঈদে বড়ো গরুটা কিনতে হবে ছাগল কিংবা ভেড়া যদি দেই কুরবানি থাকবে না সমাজে ইজ্জতের ছিটেফোঁটা পানি। সবাই করবে হানাহানি, ইজ্জতে লাগবে চুনকালি ধারদেনা কিংবা সুদে এনে দেবো কুরবানি। চারিদিকে ছড়াবে সুনাম, দিয়েছি…
আমরা এসেছি কঠিন বালুচরে দিবারাত নিশিতে গেছে কেটে কেউ প্রশ্ন করেছিল অন্তরে প্রেমের নদীতে স্নান করে । কখনো হয়নি কথা তোমার সাথে তবুও কেউ তোমাকে লক্ষ্য করে সে কথা কি তুমি জানো ! হয়নি কোনোদিন দেখা জানি কি হয় এইখানে…
দ্যাখুন দশম শ্রেণির ছাত্রের হাতে শিক্ষক খুন এখন থেকে গাইতে হবে মন্দ ছাত্রের গুন। শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি-শিখছে দুর্নীতি-হারিয়েছে সম্প্রীতি দৈবশক্তি, অপশক্তিতে শক্তি যোগাচ্ছে পেশি। অ,আ শিখতে গিয়ে শিখছে রাজনীতির মারপ্যাঁচ মানুষের মতো মানুষ পাবে কোথা এই সোনার দেশ নোংরা রাজনীতির বীজ…
সেই কবে অভিমানে তুমি বলেছিলে নির্জনে মুক্ত করে দাও মুক্তিদানে, ভুলে যাও রেখো নাকো মনে; ভিনদেশি এক আকাশ ডাকছে যে গোপনে। সেই চলেই গেলে শূন্যতায় একা ফেলে ভিনদেশে উড়ন্ত ডানা মেলে, এতোই যদি মমতা হৃদয়ে খেলে; তবে কেনো আসো স্বপ্নের…
এখানে এসেছি আমি কবিতা লিখেছিলাম বলে আকাশের তারাগুলি খুঁজেছিল পথ পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা জুড়ে সমস্ত গ্যালারি থেকে শুরু করে। সমস্ত ছায়াপাতের নিকটে পৌঁছে দেওয়ার স্মৃতি রূদ্ধ নিঃশ্বাসের আয়োজনে দেখেছি কবে সে সময়ে প্রহরের কাছে প্রহরী হয়ে। টিয়াপাখির ঠোঁটে একটা…
অদৃশ্য পাখির কন্ঠে অনবদ্য সুরে অনুরণিত ব্যথা ঘোরের মধ্যে আমি তারাদের সঙ্গে বলি কত কথা! এ মুহূর্তে চাঁদ মায়াবী তার প্রেক্ষাপট ছিল দগ্ধ পল তারাদের অন্তর থেকে খসে পড়ে কয় ফোঁটা জল সমস্ত আকাশ কোনো অপূর্ব স্তব লিখছে মনে হয়…