নশ্বর
এই গুবাক চন্দ্রমাস যেভাবে আমায় গিলছে রোজ হতচকিত হয়ে যে মেঘ করেছে মনের অন্তঃস্থলে নিতান্তই অপ্রতুল চেতনায় উদ্বুদ্ধ কিছু মুখ যেভাবে ভুলতে বসেছে আমায়, তাদের কাছে আমার নাম বলে কিছু নেই আমার পরিচয় যা ছিল এই মহাসমাজে, তার একটি কনাও…
এই গুবাক চন্দ্রমাস যেভাবে আমায় গিলছে রোজ হতচকিত হয়ে যে মেঘ করেছে মনের অন্তঃস্থলে নিতান্তই অপ্রতুল চেতনায় উদ্বুদ্ধ কিছু মুখ যেভাবে ভুলতে বসেছে আমায়, তাদের কাছে আমার নাম বলে কিছু নেই আমার পরিচয় যা ছিল এই মহাসমাজে, তার একটি কনাও…
আজ সকালে আসতে মানা কাল সকালে নাই, সময় নিয়ে প্যাঁচ লাগালে বাজবে বারোটা-ই। এদিন একাজ সেদিন ওকাজ যাচ্ছে বয়ে দিন, মুখটা বেজার লাগছে কী লাজ থাকছে কথার ঋণ। আবদুল হামিদ সোহেল নিউইয়ক’ ২২ জুন, ২০২২
অনেক আগেই কেঁদে শেষ হয়ে গেছে তোর ভোর সেই পাঁচ বছর বয়সেই কেটে গেছে শৈশব ঘোর প্রথম প্রথম কাপপ্লেট ধুতিস এখন দারুণ চা করিস সামান্য ফাঁকে কখনো কখনো কাগজ একটু পড়িস সারা দিন খাটা, মারধোর খাওয়া আর গালাগালি সহ্য করেই…
“ভালো আছি, ভালো থেকো — আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো ” এই জগতে তো ছিলেনা ভালো — নিকোটিনের ধোঁয়ায় জীবন ছিলো কালো। ভালো কি আছো ওপারে? আমিও যাবো হেঁটে তব সৃষ্ট পথে তোমার জীবন আমার জীবন — একই স্মৃতিতে ঢাকা, লাগে…
মাঠে আজ আমাদের খরগোশভাতি সবুজেই খানাদানা আর মাতামাতি লাফাবো না? আমরা যে খরগোশ পাতি! কখন সকাল হবে ভেবে ভেবে কাটিয়েছি রাতি গাজর নিয়েছি কটা হাতে করে চার-পাঁচ সাথী ভীষণ আনন্দ ভালোবাসি, আমরা খরগোশ জাতি!
আমরা মস্ত এক খরগোশ পরিবার গর্তের ওপরেই মাঠ আছে চড়িবার সেই খানে কচি ঘাস আর সাদা ফু্ল সে সব চিবিয়ে খেতে হয় না তো ভুল খোলা মাঠে না গিয়ে কী আছ উপায়? তবে হিংস্র কিছু পাখী খুব ঠোকরায় আমাদের নাক…
নীল রঙের আমি পাখী গোল শশককে ডাকি সে বলতে না পারে কথা আমি তো বুঝি তার ব্যথা তার কাছাকাছি উড়ি তার গায়ে চেপে ঘুরি কখনো সখনো মহা সুখে! একটুও দুখ নেই বুকে।
এই গল্প কোথায় শুরু, ব্যাঙের ছাতার মতো বাড়ি আর কারো নয়, ছোট্টদের এ গল্প এক্কেবারে তারই! ব্যাঙ নয় সে বাড়িতে থাকে গোটা কয়েক পরী ছোট্ট বাড়ি, ছোট্ট পরী রূপকথায় ভাসায় তরী পড়া না পেরে খাই কত বকুনি ও মারই ত…