ইচ্ছে
ইচ্ছে বিমল মণ্ডল যতবার বৃষ্টিতে ভিজি ঠিক ততবারই ইচ্ছে হয় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে মেঘের কাছে যাব কিন্তু মেঘের গায়ে লেগে থাকা জল আমাকে শেখায় ওর মতো নরম শীতল ভালোবাসা আর শুনতে চায় আমার পরম ইচ্ছের কথা।
ইচ্ছে বিমল মণ্ডল যতবার বৃষ্টিতে ভিজি ঠিক ততবারই ইচ্ছে হয় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে মেঘের কাছে যাব কিন্তু মেঘের গায়ে লেগে থাকা জল আমাকে শেখায় ওর মতো নরম শীতল ভালোবাসা আর শুনতে চায় আমার পরম ইচ্ছের কথা।
এই শহরে মনের মতো ঘুম নেই বহুদিন চোখের বিছানায় রঙিন চাদর প্রেয়সী বাংলার মতো নীল সাগরের স্রোতের কাছে হলুদ চিঠি ভেসে আসে মনের আসন্ন। অস্তগিরি ঢের বেশি ভালোলাগা বিশিষ্ট মরিবার তরে তাঁরে আমি খুঁজে পাই মরীচিকার মতো ; একটি ঈগল…
কবি আর কবিতার কল্পলতায় লিখা কিছু গল্প যা ফিরে ফিরে আসে আমাদের মাঝে। বিচিত্র পৃথিবীর বেদনার রংতুলিতে আঁকা কিছু চিত্র যা প্রতিটি মুহুর্তে ভাসমান -দৃশ্যমান। জীবনের একটা প্রান্তে দাঁড়িয়ে যখন বলি তোমাকে ভালোবাসি অন্য সব মানুষের মতো তোমার কাছেও মনে…
মায়ের পাদুকা হাকিকুর রহমান আমার মায়ের পাদুকা দু’খানা দেখেছোকি তোমরা কেউ? পাদুকা দু’টিকে ভাসিয়ে নিয়েছে ভরা বরোষার ঢেউ! পাদুকা দু’টি বড়ই শীর্ণ পরে বেড়ান এখানে সেখানে, চালাঘর থেকে হেসেল পেরিয়ে কখনও যান তিনি উঠানে। নতুন পাদুকা কিনে দেবো যে যাওয়াতো…
কুটুম বাড়ি হাকিকুর রহমান উল্লাপাড়ার কুটুম বাড়ি গেলাম বেড়াতে- কুচো মাছের চচ্চড়ি আর কাতলা মাছের মুড়ি ঘন্ট, আরও কত পদের খানা তাইতো আমি চাইনি এড়াতে। বাড়ি তো নয় এ যেনো এক ছবি দিয়ে মোড়া, উঠোন, পতেন, হেসেল দেখে হলো যে…
লিলু ভাইয়ের ঘিলু ভালা আর-ও ভালা দীল এমন ভাইয়ের সাথে হচ্ছে ক্যানো তোমার এতো গড়মিল? ধনুকের তীর আসে যদি তোমার পানে আঁচড় লাগতে দেয়না লিলু ভাই তোমার জানে। তোমার সুখের তরে জীবন ধরে বাজি — এমন একদিনে এক হ’য়ে ছিলো…
আমরা কি বেঁচে আছি? বিমল মণ্ডল মানুষের মন উড়ছে বাতাসে ডুবছে সমুদ্রে হঠাৎ আবেগে ছুটছে পথে পথে এদের নেই কোনো স্বাধীনতা এদের নেই কোনো ইতিহাস তবুও পতাকা হাতে হেঁটে যায় এদের পথের নেই শেষ এরা জীবিত না মৃত – অজ্ঞানতা…
এখুনি যা ঘটলো বিমল মণ্ডল অথচ সত্তর দিন কেটে গেল আবহমান ন্যায্য চাকরির দাবিতে পাশাপাশি সূর্য ও চাঁদের চোখে জল আসে প্রিয়জন, পরিবার দূরে দূরে দাঁড়িয়ে দেখছে উচ্চ শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের হাত- পা বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে বাবুদের সাজানো উঠানে…