কর্মফল
কর্মফল হাকিকুর রহমান সুন্দরেরে ডাকিয়া কহিলাম, ওহে তুমি তো সদা অতি মনোহর তবে কেনো নাপিতেরে সকলে নরসুন্দর কহে? সুন্দর স্মিত হাসিয়া কহে, শ্রবণ করোহে বটে- এ পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা নামে নয়, তাহা কর্মফলেই ঘটে।
কর্মফল হাকিকুর রহমান সুন্দরেরে ডাকিয়া কহিলাম, ওহে তুমি তো সদা অতি মনোহর তবে কেনো নাপিতেরে সকলে নরসুন্দর কহে? সুন্দর স্মিত হাসিয়া কহে, শ্রবণ করোহে বটে- এ পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা নামে নয়, তাহা কর্মফলেই ঘটে।
অবন্তিকা, তোমায় দেখা শেষ ঝলকটুকুই আজ শেষ অবলম্বন তোমায় ঘিরে, স্মৃতির বারান্দায় তোমার পদধ্বনি স্পষ্ট শুনতে পাই, কেবল দেখতে গেলেই একটা অসহ্য অস্পষ্টতায় ঘিরে ফেলো নিজেকে, আমি দিনের পর দিন ছুটে চলি কেবল এক ঝলক দেখবো বলে, তোমার সেই এক…
পড়ন্ত বিকালে যদি থেমে যায় রোদ তবে মনে রেখো পৃথিবী বেদনার শিরোনামে বৃষ্টি নেমে ছিল চেনা শহরের পথে পথে ; এ প্রকৃতি ততটা গরম নয় যতটা সম্ভব আলোকরশ্মির আলোর মতো যদি বৃষ্টি ঝরতো আজি আহ্বানের শিরোনামে তবে আমি মানুষ জন্ম…
এ গহীনে আহমেত কামাল অস্থির ডালে অস্থির পাখি। ঠোঁট ভর্তি রাত। আমাকে, আমি কোথাও খুঁজো পাচ্ছি না। – এ গহীনে। তুমি কী আমায় দেখিয়ে দিবে হাতের আঙুল। একলা গিটার পড়ে আছে ব্যালকনি সমান কষ্টে।
আমি এই গদ্যময় সভ্যতাকে শেষ কথা বলে মানি না যদিও অরসিকদের সামনে কবিতাকে টেনে আনি না। বেশি চর্চিত হলেও গদ্য প্যাপিরাসের রাজা বা রাণী না আজ অবধি আমি কবিতার কোনো বিকল্প জানি না।
মৌনতারে ডাকি হাকিকুর রহমান শুধাইবো কাহারে, কাটে কাল অনাদিকালের তরে অনন্ত রাত্রি পারে। হায়রে অনাদিকালের অতীত, তুমি নীরবে, নিভৃতে কার সাথে কথা কও- যুগ যুগান্ত ধরে পিয়াসি চিত্তে মোর সাথে জেগে রও। কত জীবনের আরাধনা, কত সাগরের জল- মিলেমিশে আজি…
গন্তব্যের হাতছানি হাকিকুর রহমান পায়েতে কখন বিঁধেছে চোরা কাঁটা কাঁদিয়া কহে উচ্চাকাঙ্খা, তাহলে কি হঠাৎ করিয়াই, পিছাইয়া পড়ার রহিয়াছে আশঙ্কা? উদাসীনতা, কি সেথায় আসিয়া অযথা বাঁধ সাধে? উৎকন্ঠাহীন আশাগুলি তবুও কেনো জানি ঘর বাঁধে। কেহ কহে ডাইনে যাও কেহ কহে…
হরতাল হরতাল করতাল গণ আহরণ ক্রেন, যায় যায় ছুটে বেড়ায় তিস্তার ট্রেন। ত্রিমূর্তির ছত্রিশ রেখায় কারাগার, তুম আগার জিও তো কেয়া ফিকার? চম্পট রাণী সাহেবান আন্দোলন, “নাথ,গায় জিন্দেগানি”, রিক্সা চালায় টানে পারিন্দা কুলখানি। বন্দর নগরীর মাল, খায় ক্ষুধার্ত, চিবায় বন্ধা…