বাংলা কবিতা
দুঃস্বপ্ন যাপন
জীবন নয়, এত দিন দুঃস্বপ্ন যাপন করেছি আমি সান্ত্বনা নেই তবুও লোকে বলে অভিজ্ঞতা দামী। সেই বেঁচে থাকা বড় কষ্টের ছিল, ধর্মাবতার পায়ু ছিদ্র দিয়ে গরম লোহার শিক ঢুকিয়ে মুখ দিয়ে বার করেছে মানুষ, বিচিত্র সব আবৃত উনুনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে…
ধূসর দুঃস্বপ্ন
মহানন্দা! তোমা’ নিয়ে আমার প্রতিটি রঙিল প্রাঞ্জলময় স্বপ্ন, আজ ধুসর দুঃস্বপ্নের মতই ভয়ংকর বিবর্ণ। প্রেমের শোভিত সু দৃশ্যগুলো এখন অপরিস্ফুট ঝাপসা; আবিল সংশয় ঢেকে দিচ্ছে আমার সুব্যক্ত ভালোবাসা। কুশ্রী স্বপ্নের আলেখ্য হেরে নিবিড়-নিশায়; সুষুপ্তি ভেঙে আমার ঋজু-হৃদয় নীরব ভাষায়, অবুঝ…
আমার বন্ধু – শুভ্র পাল
আমার বন্ধু শুভ্র পাল আমার আছে অনেক বন্ধু ভালো তাদের মন, কূট চিন্তা নেই তাদের মনে, সবে সর্বক্ষন । বন্ধু হলেও তাদের মতো হোক সবার মন, মনের মতো বন্ধু আমি পেলাম অনেকজন। মানুষ হিসাবে তাদের মন অনেক অনেক ভালো, হাসি…
ফির’সে
সূর্যের কাছে নিয়ে উত্তাপ লগ্নি ফুলের ভিতরে হলো মধুজন্ম, মৌমাছি জুড়ে বসে, করে ডাকায়েতি মধুদের এমনই তো ভবিতব্য।। মোম দিয়ে মুড়ে রাখা মৌচাক, তুমি কার, প্রকৃতির নাকি মানুষের? চোরের ওপরেও আছে বাটপার, ডুবতে ডুবতে সূর্য হাসলো।। ধান জানে ধার কতো…
অলিভনামা
অলিভ গাছের সারির মধ্য দিয়ে হেঁটে যাই, এই গ্রামে নখ, চুল, রঙ, দাঁত, বুদ্ধি পরীক্ষা করে মেয়েদের বিয়েথাওয়া হয়, অসুন্দরীদের, মাথামোটাদের যারা দয়া করে ঘরে নিয়ে যায়, তারা কেউ তাদের ভালবাসে না, ভালবাসে শুধু তার শ্রম, তারা তাই ক্ষেতের নিড়ানি…
ছকবাজি
আমি বুঝে যাই কোথায় ফাঁদ, আমি ধরে ফেলি এই দেওয়া নেওয়া জ্যামিতি।। আমি অবশেষে জেনে যাই, জেনে সবচেয়ে বেশি দুঃখ পাই কেবল কবিতার জন্য খুব বেশি কেউ আমাকে ছুঁয়ে নেই।। আমি দেখে ফেলি এই বিপণন পৃথিবীতে মানুষে মানুষে গাঁথা কী…
তোয়াজি
ঘাট মেনেছে ঘটনাহীন নদী, নৌকা বাঁধা তারই রাধাচূড়ায়, রোদ লাগলে যখন আগুন লাগে বারুদ তখন এমন কপাল পোড়ায়।। জল বসন্তে শ্মশান আলুথালু, নাইতে গিয়ে ডুবে মরি শোকে, কাঠ ফুরোলো চিতা জ্বালতে গিয়ে গা মুছেছি গামছা পাতা সুখে।। হিজল গাছের পেচক…
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)