কান পেতে রই
কান পেতে রই হাকিকুর রহমান আমি কান পেতে রই, দখিন হাওয়া যায় যে বয়ে বাঁশের বনে অবাক হওয়া আঁখি জাগে কাহার সনে মনের কথা কাহারে বা কই আমি কান পেতে রই।। আমি কান পেতে রই, দূরের মাঠে কে বাজালো বিষাদ…
কান পেতে রই হাকিকুর রহমান আমি কান পেতে রই, দখিন হাওয়া যায় যে বয়ে বাঁশের বনে অবাক হওয়া আঁখি জাগে কাহার সনে মনের কথা কাহারে বা কই আমি কান পেতে রই।। আমি কান পেতে রই, দূরের মাঠে কে বাজালো বিষাদ…
মহা সত্য হাকিকুর রহমান ক্ষুদ্র সত্য চিৎকার করিয়া কহে পৃথ্বীকে- শ্রবণ করোহে মম জয়গান চারিদিকে, মহা সত্য ওই দিকে নীরব চাহিয়া রয়- সে তো অমোঘ, তাহার নাহিতো ক্ষয়।
আমি শিশির স্নাত প্রস্ফুটিত ফুলগুলোকে বলি, তোমরা ধীরে আরও ধীরে ঝরে পড়ো, উপভোগ করো এই সুন্দর ভুবনকে, ফুটে থাকো মানুষের সাজানো বাগানে, হিমেল সমীরণে ভেসে ভেসে সবার দ্বারে দ্বারে, বিলিয়ে দাও তোমাদের মন মাতানো স্নিগ্ধ সুবাস। আমি এই উজ্জ্বল সুন্দর…
দামী বেনারসী, পারে স্বপ্নের জরি আয় মা, যুগ যুগ তোকে পার করি অভ্যস্ত মন্ত্র পঠিত হ’চ্ছে তড়িঘড়ি আয় রে, পৃথিবীর অঘোষিত ঈশ্বরী! তোর সত্তাকে প্রথা মতো হত্যা করি অথচ এসেছিলি হয়ে অনন্তের পরী। রক্তপাত ছাড়াই তোকে বলি দেব টুঁ শব্দটি…
এমনই দিনে পুলকিত হৃদয় আনন্দে নাচায় তোমার-আমার মিলনের বাহানায় তুমি সাজো গৌরী রঙিন শাড়ির উজ্জ্বলতায় বাঘছড়িতে আমিও শিবের সজ্জায় এক শিবালয় থেকে অন্য শিবালয়ের শোভাযাত্রায় নন্দি-ভৃঙ্গিরাও নৃত্যে মাতায়। এমনই দিনে ধর্মপ্রাণ মানুষেরা ঘুরে বেড়ায় গাজন উৎসবের মিলন মেলায় স্নান-দান-ব্রত-উপবাসে শিবের…
আমার সকল আয়োজন সবই বৃথা এই শহরে কিংবা অন্য শহরেও কারে খুঁজি আর কি কারণেই বা বেঁচে থাকা ! একদিন ধূলিসাৎ হবে চোখের দৃষ্টি আর ধূলিসাৎ হবে সকল চাওয়া পাওয়া। কোথায় হারিয়ে গেলাম আমি ; আমার সন্নিকটে সাহস করে বেঁচে…
আমার বাবার নাম আনন্দ ছিল বলছি না কারণ সন্তানের কাছে বাবা কখনো অতীত হয়ে যেতে পারেন না আমাকে বাবার মতো দেখতে কবিতার প্রতি টানও পুরোটাই তাঁর থেকে পাওয়া। কাছের লোকেরা বলে, তাঁর রাগ এবং খামখেয়ালিপনাও আমি অনেকটা পেয়েছি, একটু অন্যরকম…
ছড়া- নবীন প্রাত হাকিকুর রহমান দক্ষিণেতে দিলাম পাও উত্তরে গড়ায়, পূবের কোণে লাগলো বাও পশ্চিমে ছড়ায়। দিবস শেষে আসলো নিশি হিজল বনের ধাঁরে, পথ হারিয়ে অহর্নিশি মনটা খুঁজে কারে। জোসনা ভরা গহীন রাতে স্বপ্ন খেলে যায়, আবির রাঙা নবীন প্রাতে…