প্রেম ও প্রিয়তমা
প্রেম প্রীতি প্রিয়তমা দুটি নয়ন বলে দেয় প্রেমের ভাষা রাতের প্রহর বলে দেয় ভালোবাসার নেশা জোরালো দাবি জানায় ঝরে যাওয়া তারা। কবিতা তুমি কি বলতে পারবে কারে আমি চাই! হয়তো আমি কল্পনার জগতের কোনো এক রূপসী বাংলার মেয়েকে চাই যে…
প্রেম প্রীতি প্রিয়তমা দুটি নয়ন বলে দেয় প্রেমের ভাষা রাতের প্রহর বলে দেয় ভালোবাসার নেশা জোরালো দাবি জানায় ঝরে যাওয়া তারা। কবিতা তুমি কি বলতে পারবে কারে আমি চাই! হয়তো আমি কল্পনার জগতের কোনো এক রূপসী বাংলার মেয়েকে চাই যে…
বন্ধু কত দূরে তুমি যাবে? পিছনে যে তোমার থাকল পড়ে সাদা ঘোড়া একটা আস্তাবলে কতদিন…….. তাকে কি আর মনে পড়ে? যত দূরেই যাও, যতটা দূরে ভাঙা জানলার আড়ালে নির্জনে ঘোড়ার চোখে শুধু ভাসে হয়ত তোমারই ছবি তার সাথে, সাথে। ঠুং…
বসন্তে আর থেকোনা অমন করে! মুখ কারুবাসনায় ভরা, চিনেছি যে তোমায়। তবে’তো কত রঞ্জিতা হলে আজন্মের তিতিক্ষা শেষ হবে আমার, তা না’হলে বসন্তের শেষ নিশ্বাস।
তিরিশ বছর আগে যে দিনগুলো ফেলে এসেছি কান্না পায় আমার বড্ড যে, কেমন করে আমি বলি? তিরিশ বছর……………. কেমন আনমনা তিরিশ বছর! এখন দিন ঝকঝকে নতুন বাঁধা ধরা একদম নিশ্চিত। তিরিশ বছর বাড়তে দিয়েছি চলন আগাগোড়া এগিয়ে। ক্রমে, ক্রমে হারিয়ে…
প্রতিদিন ই ভাবি,, ভাবতে ভাবতে,, ভাবনা হলে আমিও এক নদী। জলের থৈথৈ – এ সাঁতরে বেড়ায় সাঁওতালি হাঁস,গাঙচিলেরা। তার কোথাও তুমি নেই। এ জন্মে আমার আর ঘরে ফেরা হয়না! অপেক্ষার মতোই পড়ে থাকি,, ঘাসেদের জীবন ধরে।
চিত্রপটে আটকে আছি আহত হরিণের মতো। চোখ বেয়ে বেয়ে- একটা ঝর্ণা নেমে গ্যাছে – মহানন্দার দিকে। কোন পাখপাখালি নেই মাথাহীন এক বক,বসে আছে আলে একটা গ্রাম, ঠিক অতোটা দূরে নয় যতোটা দূরে আমাকে মনে হয়! মাঝবয়সী দিনটা পাতার ফাঁক…
তোমার,গলার কাজটা দারুণ অনেক টা পাশের বাড়ির পাটক্ষেত কে বানিয়েছে কোর্তাটা? বেশ মানিয়েছে বুকের টান টান স্বভাবে – রেশমি চুলে অনেক গুলি প্রজাপতি দেখা যায় অড়না’টা সরাও তো এবার একটা সেলফি তুলি,,,!
রাত্রি ঘনালো মিশরের পিরামিডে আলোয় আলোয় আলোকিত সমস্ত পথ। থাকুক না হয় একটু বিভেদ আজি ব্যর্থ গোধূলি লগ্নে। অজস্র জন্ম ধরে যে পথ খুঁজেছি তাহা বিশ্ব মহানগরীর দ্বারে। হে সমাধি মমির সমাধি শতাব্দীর নিত্য নব সমাজের মাঝে। কলকাতা শহর ভরে…