যাও’গো ঝরে, ঝরে
ও’গো বকুল, অনেক পরে, ফুটবে, যখন রাতে, হায়’রে সকাল একলা হলে, মনে ক’র তাকে। ইচ্ছেটা, তার ছিল সাথে, তোমায় দেখার পরে। তবুও কেন, ছুঁলে পরে, যাও’গো ঝরে, ঝরে।
ও’গো বকুল, অনেক পরে, ফুটবে, যখন রাতে, হায়’রে সকাল একলা হলে, মনে ক’র তাকে। ইচ্ছেটা, তার ছিল সাথে, তোমায় দেখার পরে। তবুও কেন, ছুঁলে পরে, যাও’গো ঝরে, ঝরে।
ও মেঘের দল, হারাস না আর, কালো মেঘের ভিড়ে, সাদা রঙটা, ছড়াস এবার, সারা আকাশ জুড়ে। নদীর জলে, ছলাৎ, ছল, দাঁড়টি টেনে মাঝি, হারিয়ে যায়, অনেকদূর, বাঁক দিয়ে যায়, নদী। এসেছে শরৎ রানি হয়ে, পদ্মের দল রাঙা। সাজিয়ে তোলে শিউলি…
ভোরের আলোয়, সাজিয়ে তোলে, সকালটা’তো বেশ! শিউলি হাসে খিলখিলিয়ে, বর্ষার গান শেষ। শালুক জাগে, পাতার উপর, রঙটা লাগুক মনে। কাশের বনে, খুশীর মাতন, শরৎ এসেছে বলে।
নিশ্চুপ শহর একাকী সাদা মেঘ জমে আছে কালো নীরবের পাতা সঙ্গে আনে শেষ অধ্যায়ের পাতাগুলো। শহরের মানুষ সব ঘুমন্ত শান্ত শহীদের প্রাণের স্পর্শ দোলা দেয় জীবন্ত মানুষের ঘুমের মধ্যে। তারপর একদিন নীরবতায় সঙ্গী হয়ে উপন্যাস লিখে যায় আমি…
রাত্রির আগমনে, নক্ষত্রের জাগরণ। একা আনমনে, আলোর বিচ্ছুরণ। আমার অবসরে, আমার আবিষ্কার, নক্ষত্রের দিকে, বারে, বারে চোখ যায়। আদি, অকৃত্তিম, সৃষ্টির মূহুর্তে, নক্ষত্রের জন্ম, মহাশূন্যের বুকে। আলোর জন্ম, ভবিষ্যতের জন্য। প্রাণের মূহুর্ত, সাক্ষী হয় তার। নক্ষত্রের চঞ্চলতা, যেন জীবনের উচ্ছ্বাস।…
মায়াবতী, আপনাকে আন্দোলিত করবার মতো শব্দচয়ন আমার জানা নেই, এমন কোন বাক্য জানা নেই যা আপনাকে এতটুকু ভাবাতে পারে। আপনাকে বিশেষিত করবার মত বিশেষণ বাংলা ব্যাকরনও জানে না হয়তো। আপনার প্রেমের দহনে ধ্বংস হতে পারতো প্রাচীন ট্রয় নগরী, অথবা ফুল…
লালবাতাসা, লালবাতাসা, গভীর কালো চোখে, মনে পড়ে, ভ্রমর ওড়া, চোখের পাতা, না পড়ে। হারিয়ে যাওয়া, শরৎ-বিকেল, পুরনো পাতার ভাঁজে, রাখা আছে, যত্নে কেমন! আবার মনে পড়ে। বিন্নির খই, সেই শরৎ-এ, ঝরা শিউলি ফুল, আছে তোমার দু’হাত ভরে, স্পর্শ পেল মন।…
বাসবোভালো তোমায় আবার, যেদিন দেখা হবে। যেদিন তোমার কালো চুলে, রূপোলি রেখা ধরে। এগিয়ে এসে, জীবন খোঁজে, দুজনে অতীতটাকে। ফুলের সাজে, গাঁথা মালা, ভালোবাসা বাঁধে। পরিয়ে দিলাম যুগল গলায়, রাধা কৃষ্ণ দোলে। ভালোবাসা, আবির হয়ে, থাকল পায়ের কাছে।