ব্যবধান
ব্যবধান ——রুদ্র কাওসার শারদের ফিকে কুয়াশার বুকে, আবছায়া অন্ধকারে হরিণের মতো, কে যেন মৃদু পায়ে হেঁটে চলছে, আমার গাঁয়ের এই মেঠো পথ ধরে – হেঁটে যায় আবক্ষ ললনার মূর্তি! যাকে দেখেছিলাম ভাটির দেশে, শিউলি ঝরা অঘ্রাণের শেষ রাতে, নিঃশব্দে এসেছিলে…
ব্যবধান ——রুদ্র কাওসার শারদের ফিকে কুয়াশার বুকে, আবছায়া অন্ধকারে হরিণের মতো, কে যেন মৃদু পায়ে হেঁটে চলছে, আমার গাঁয়ের এই মেঠো পথ ধরে – হেঁটে যায় আবক্ষ ললনার মূর্তি! যাকে দেখেছিলাম ভাটির দেশে, শিউলি ঝরা অঘ্রাণের শেষ রাতে, নিঃশব্দে এসেছিলে…
অংশ-৩ নক্ষত্র রাত্রি বিচ্ছেদ দুনিয়া সময়ের হাতে বেড়ে উঠে নিরবিচ্ছিন্ন আলোর নির্বাপণ। আজ থেকে বহু বছর আগে যে যে শহর গড়ে উঠে ছিল ঠিক শতযুগ পর সেই সেই শহর নির্ভয়ে মাটিতে লুটিয়া যাবে সৈন্য দলের অভাবে। “কারণ” প্রকৃতি মানুষকে ভালোবেসে…
আকাশ, বাতাস, ভাসল আবার, ফুলের সুবাস ঢেলে। হলুদ খামে, চোখের ভাষায়, চিঠি তোমার কাছে। জানবে তুমি, অচেনা ফাগুন, তোমায় দিল ধরা। একটা ছেলে, অনেকদূরে, আজও আছে একা।
যদি অনন্তকাল তুমি খুঁজো তবে বলবো কিছুই খুঁজে পাবে না। সময়ের মরীচিকায় যতই হারাবে নিমজ্জিত হবে অনুভূতির ব্ল্যাক হোলে, তলহীন অতলে ডুবে গিয়ে হারাবে জীবনের আনন্দময় সব অনুভূতি। সময়ের তাড়নায় বেখেয়ালি চলনে যদি কখনো পেছন ফিরে তাকাও খোঁজে পাবে ক্ষুদ্র…
ভালো লাগে না, কোন কিছুতে, তোমাকে ছাড়া, সুখ কোন নেই’যে। কৃষ্ণ, কৃষ্ণ বাজে সবসময়ে, কাঁকন আওয়াজ, বাজে না আমার কানে। তুমি’তো জান গিরিধর, প্রেম, তোমাকে ছাড়া কি’বা, রাধার সবই’তো তোমার, তবে কেন এত অবহেলা। শ্যাম দর্শনে, এ পোড়া মনে, শিখা…
আজ ভরা কাল খালি, মাথা জোড়া, ফুল ডালি। হাসি রাশি, সারাদিন, মনে ভাবি একদিন, কালো চোখে, ভরা ছিল, ‘ভালোবাসা’, ফাগুন বিকেল।
সারি সারি আবেগ মুখবন্ধ খামে বন্দী, ছটফট করছে বেরিয়ে আসতে চেয়ে। তুমুল ঢেউ তুলে বেরিয়ে আসছে ক্রন্দন ধ্বনি, অঝোরে বৃষ্টি ঝরে চলেছে দু-চোখ বেয়ে। কুয়াশা ঘেরা রাতও আজ গাইছে কান্নার সুর, জমাটি আবেগ আজ উদ্বায়ী, নেই কর্পুর— শোনা যাচ্ছে না…
পায়ে ছেঁড়া চটি , শুন্য হাতে হন্নে হয়ে একটা চাকরি খুঁজি। কারন , আমি যে বড়ো হয়েছি চাকরি ছাড়া এই সমাজ যাকে মুখের উপর বেকার বলে..! নমষ্কার আমি সেই পুরুষ..! মেয়ের স্কুল ফিস , ছেলের কলেজ ফিস গিন্নির জন্য একটি…