ভাবনার সুরে
ভাবনার সুরে হাকিকুর রহমান লাগিল বাতাসে দোলা দখিনা জানালা খোলা, ডাক দিয়ে যায়, দখিনার বায় যায় কি যে তাহা ভোলা।। আনমনে থাকি বসে হালখানি ধরি কষে, গগনে-পবনে মেঘ, লুকোচুরী খেলে স্মৃতি সেথা থাকে তোলা।। অচেনার ইশারায় কে কি সুরে গান…
ভাবনার সুরে হাকিকুর রহমান লাগিল বাতাসে দোলা দখিনা জানালা খোলা, ডাক দিয়ে যায়, দখিনার বায় যায় কি যে তাহা ভোলা।। আনমনে থাকি বসে হালখানি ধরি কষে, গগনে-পবনে মেঘ, লুকোচুরী খেলে স্মৃতি সেথা থাকে তোলা।। অচেনার ইশারায় কে কি সুরে গান…
যখন বৃষ্টি নামলো চোখের দুটি কোণ বেয়ে, এক অদ্ভুত রাত্রির মতো কল্পনার আকাশে ফুটলো ফুল; জানালার কপাটে মেঘ জমে নীল প্রহরের বাতি হয়ে। যখন বৃষ্টি নামলো হলুদ হেমন্তের ঘাসে তখন জন্মভূমি জনপদ হলো- সূর্যাস্তের শেষ লগ্নে। কিঞ্চিৎ পরিমাণ…
কার আওয়াজ পাওয়া যায় কে যাচ্ছ আমার বাড়ীর পাশ দিয়ে কোন পথিক? কোন পীর পয়গম্বর অথবা পরিব্রাজক সন্যাসী? অবশ্য আজকাল এসব নেই, পথিক মানে শুধুই ভিখারী দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা চাওয়া আর সুযোগ পেলে একটু আধটু সস্তা নেশায় ভাসা। তবে যেই…
দূর থেকে বলছি তোমায় যদি শুনতে পাও, হারিয়ে যেওনা অজানা অজানায় ৷৷ অপেক্ষায় থেকো তুমি ফিরে পাবে আমায়। আসব ই আমি, আসিব ই আবার আমার হৃদয় দিয়ে ভালবাসা বাসিব ই, হতাশ হয়ে তুমি কখনো ভেবো না এই পথ চলে যাবে…
ঘূর্ণিতে গুড়িয়ে স্বপ্ন বিধ্বস্ত হয়ে লোকালয়, বানে প্লাবিত চারপাশ শুধু ক্ষুধা আর হাহাকার। বিলীন সব গৃহ মলিন সব মুখ, নেই আর ঠাঁই নেই আর বাসস্থানের অধিকার। ভাঙ্গনে ভেঙ্গেছে বুক দুঃখ কেড়েছে সুখ, বিলীন শেষ চিহ্ন নেই স্বজনের সমাধি আর। নির্ঘুম…
চারিদিকে দুঃখের ছড়াছড়ি বিষাদ করিয়াছে ভর মানুষ সব লয়ে আছে ঘর, কেহ আপন কে করিয়াছে পর। ভয়তে করিয়া ভর পুত্র করিয়াছে পর জননী, অরণ্যে ফেলিয়া তাহারে ঘরেতে কাটাইছে রজনী। অবাধ এ মিছিলের তরে কফিনে কফিনে প্রান্তর হেন পূর্ণ। বৃথা যেন…
(একজন বাবার মতবাদ🎯) ছেলের কর্মভার নুর আজাদ নীল দেখো সর্বত্রই কর্মকর মানুষ নানান কর্মে লিপ্ত, ব্যথার দানে দৃঢ় – জীবন অশ্রু ঘর্মে হয় দিপ্ত। কর্ম পথে লাজে পুড়ে কর্তা সে হয় করমী, কর্মোৎকর্ষ নিচুর চেয়ে নিচু যদি সে হয় মরমী।…
শুভসকাল, ভোর হয়েছে ওঠো। শিশুরা যে ছেড়েছে মায়ের কোল। দূর আকাশে সূর্যি মামার উঁকি। তাই দেখে আজ পাখিরা বেজায় খুশি। তোমার বন্ধ জানালা পানে- চেয়ে চেয়ে আমি; অলস চোখে অপেক্ষা, করি কখন উঠবে তুমি।