অবকাশ -১৫
আকাশ নীল মৃত সমস্ত আকাশের তারা নেই কোথাও হারিয়ে যাওয়ার ভয় ! বিন্দু বিন্দু বিসর্জন নদী চঞ্চল গতিধারা জোনাকিদের বুক চিরে আসে রাত্রি ক্ষয়িষ্ষু জীবনের স্রোতে ভিন্ন – অভিন্ন হয়ে। উপকারের ভাষা নেই হাতে গোনা আইনী কিংবা বেআইনী হারেনি কেউ…
আকাশ নীল মৃত সমস্ত আকাশের তারা নেই কোথাও হারিয়ে যাওয়ার ভয় ! বিন্দু বিন্দু বিসর্জন নদী চঞ্চল গতিধারা জোনাকিদের বুক চিরে আসে রাত্রি ক্ষয়িষ্ষু জীবনের স্রোতে ভিন্ন – অভিন্ন হয়ে। উপকারের ভাষা নেই হাতে গোনা আইনী কিংবা বেআইনী হারেনি কেউ…
আমি মানুষ ঠকিয়ে মানুষ হতে চাই না ত্যাগ না স্বীকার না করেও ত্যাগী হতে চাই না এর চেয়ে বরং মেঘ হয়ে আকাশে ভেসে যাবো যেখানে থাকবে না কোনো বাঁধা বিপত্তি এমনকি হারিয়ে যাওয়ার ভয়। আমি মুক্ত হতে চাই যতটা মুক্ত…
ধূলিসাৎ ধুসর ধ্বংস স্তূপে রক্তের দাগ, রাস্তা পথে ধুলো বালির সাথে মানুষের লাশ, ছোটো, বড়ো, ছেলে, মেয়ে, মহিলা, পুরুষ সব ধরণের। যেখানে এই আহত জাতির হাহাকার আর্তনাদ ভেসে বেড়ায়, পৃথিবীর সব জাতি সমূহ সেখানে নিস্তব্ধ নিস্তেজ দর্শক, যেখানে ন্যায় অন্যায়…
বিরামহীন এ পথ চলা চোখের ভিতর মহাযুদ্ধের আন্দোলন হাত দিয়ে কুড়িয়ে এসেছি বিষণ্ণতার সমস্ত কথা মানুষ এগিয়ে গেছে তাঁদের চলার পথ ধরে আমি এগোতে পারিনি কারণ পাখিদের কথা ভেবে আমি ফিরে এসেছি নিজের ঠিকানাতে…. চোখের শিরায় বিষাক্ত কীটের চলাচল সময়…
ঠিকানাহীন অনেক পাখি উড়ে যায় বন্দী খাঁচা ভেঙে… মুক্তির সময় এসেছে তাঁদের। এই ধূলো ভরা পৃথিবীতে কাঁচের হৃদয় কত ভাঙে কত গড়ে তাঁর হিসেব নেই ! বিষণ্নতার পথ ধরে এগিয়ে চলা এগিয়ে চলা একে একে মৃত্যুর দিকে মানুষের দুরন্ত চিলের…
অঙ্কের সমীকরণটা বোঝাতে চেয়েছি আলোকবর্ষের সাথে — গাছেদের রজনী আঙ্গুল পেতে ঘুম সবই বোঝাতে চেয়েছি যেমনভাবে আকাশের বুক থেকে তারা খসে যায় তেমন গতিতে। মানুষ হেঁটে যায় পথে পাখি উড়ে যায় আকাশের পথে কেউ বোঝেনি পরিচয়! সমীকরণ বোঝা যায় অঙ্কের…
অচূর্ণ হৃদয়ের অবগাহে জন্মহীন চঞ্চলা চোখের ছেদে বেরঙীন আত্মসংভ্রম চিন্তার পাঠশালায় একুশটি মৃতদেহ শায়িত পরিচয় নেই — তাঁদের। গতিহীন নদী সমুদ্রজন্ম লাভ করতে পারে না কেন পারে না ? ভূ-বিজ্ঞান অজস্র তত্ত্বের ভিত্তি প্রাচীর আঙ্গুল দেখিয়ে আন্দোলন ভড়কে দেয়। আমি…
যদি গাছেদের কথা বলি গাছেদের সাথে যদি মানুষের কথা বলি মানুষের সাথে তবে —– ঝরে যায় গাছেদের পাতা ভেঙে যায় মানুষের হৃদপিণ্ড। শূন্যের হাত পূর্ণ করতে পূর্ণের হাত শূন্য করতে এ সে ছে হেমন্ত। অনভিজ্ঞ রাতের ইতিহাস। হে অনুচর অসম্মতি…