সব সত্য ছদ্মবেশী
শিক্ষিত হোক আর স্বশিক্ষিতই হোক, যারা চেকার্ড ভাবনায় টেকসই তুখোড়, শেষতক তারা সকলেই নিশ্চিত জেনে যায়- সত্যটা কী; কিসের সামনে কী, কী আছে কিসের পেছনে, শুধু কেউ বলে না; রাখে মনে মনে… যে বলে সে বন্য শিকারের মতো ঘাটেঘাটে বিপন্ন…
শিক্ষিত হোক আর স্বশিক্ষিতই হোক, যারা চেকার্ড ভাবনায় টেকসই তুখোড়, শেষতক তারা সকলেই নিশ্চিত জেনে যায়- সত্যটা কী; কিসের সামনে কী, কী আছে কিসের পেছনে, শুধু কেউ বলে না; রাখে মনে মনে… যে বলে সে বন্য শিকারের মতো ঘাটেঘাটে বিপন্ন…
যখন মৃত্যু অবশেষে আমায় নেবে খুঁজে, সে তখন দেবে মোর হাত দুটো বেঁধে। এতদিনের যে লেখালেখি মোর, সবই হবে ব্যর্থ। মৃত্যু, তুমি পারবে না কোনো মানে খুঁজতে— ঠিক যেমন জগতের মানুষেরা বিফল হয়েছে বুঝতে। যখন মৃত্যু অবশেষে আমায় নেবে খুঁজে,…
নিস্তব্ধ প্রকৃতির মত ওরাই তো নিরবে নিভৃতে বড্ড নিপুন হাতে-মগজে-জীবনীশক্তিতে সবকিছু ব্যালেন্স করে, তাইতো এই বাহারি ঝলকে ওড়ে বিলাস-ফোঁয়ারা আকাশের পানে চেয়ে… রোদ-বৃষ্টি-ওরা এক জমজমাট বান্ধবমেলা- কিছু পেয়ে বা না পেয়ে! তবু তারা শক্তি সাহসের নিবেদিত যোগানদার; তারা কেউ কারে…
আমার গ্রাম মায়ের মতো আদর করে রাখে, গ্রামের মানুষ সেই খানেতে নীরব হয়ে থাকে। আমার গ্রাম মায়ের মতো সবুজ সোনার ঘেরা, নীল পাড়ের শাড়ি পরে স্কুলে যায় মেয়েরা। আমার গ্রাম মায়ের মতো দুঃখ নাই যে তাতে, সবাই মোড়া মিলে মিশে…
অন্ধত্ব ; প্রেমময় প্রকৃতি দেখাবার সুযোগ শূণ্যের কোঠায়। বিলাস বহুল সাম্রাজ্য, দুঃখিনীর শণের চাদরে মুড়ানো ছেঁড়া কুঠরি, ভিখারির পাতা হাত, বিত্তশালীর বিতরণের অতিরঞ্জিত মঞ্চ, প্রেমিকের কান্না, ছলনাময়ীর অশুচি আলাপচারিতা, নৈতিকতার পরিপাটি, অনৈতিক কোলাহলময় কুৎসিত কারখানা, নিরহের আর্তি, দজ্জালদের হিংস্রতা, সাধুর…
কোন একদিন দৈববাণীর মত শুনেছিলাম- ‘আশায় জগৎ বয়’ এ কথা কি সত্যি? এখন দেখি- আশারাও হত হয় বড্ড যেনতেনভাবে- ঠিক জীবনের মতন, হয় আলোতে আঁধারে বৃষ্টির উল্লাসের মতন এক রাজকীয় ধর্ষণ… ঐ যারা, বড্ড খেয়ালী, ইচ্ছার বুলডোজার চালায় দিনেরাতে একেবারে…
চারিদিকে অস্থির সময়, হাহাকার আর অভিশাপ কি যেন চির বিচ্ছেদ, অপরিচিত পাখিরা বেঁধেছে ঘর পরিচিতরা ছেড়ে গিয়েছে বহু আগে। এখানে এই তটে যে কটি প্রাণ টিকে আছে স্বার্থ আর না পাওয়ার দ্বন্দ্বে, কেউ কারো হৃদয়ের ক্রন্দন শোনেনি, ঝড় শোনেনি উড়িয়ে…