![]()
ঈশ্বরচন্দ্র কেন হলো বিদ্যাসাগর
কলমে— সুব্রত পণ্ডিত
সাগরের বুকে জেগে থাকা
এক হিমাদ্রি মহীয়ান,
এ বঙ্গে ডেকে এনেছ—
মুক্ত আলোর গান।
কুসংস্কারের নিবিড় আঁধারে
জ্বালালে প্রদীপ্ত শিখা,
তোমারই ছোঁয়ায় মুছে গেল—
যত প্রাচীন কালির লিখা।
করুণার সিন্ধু, বিদ্যার সাগর,
বীরসিংহের প্রাণ,
মায়ের চরণে সঁপেছিলে
নিজেরই শ্রেষ্ঠ দান।
ঝড়ের রাতেও হেঁটেছ একা
জননীর আকুল টানে,
মাতৃভক্তি ও মনুষ্যত্ব—
জেগে রয় প্রীতি-গানে।
বাল্যবিবাহের শৃঙ্খল ভেঙে—
দিলে তুমি উপহার,
বিধবা নারীর অশ্রু মুছিয়ে—
এনেছ নতুন জোয়ার।
বর্ণপরিচয়ে হাতেখড়ি হলো
বাঙালির কোটি শিশুর,
তোমারই কীর্তি অমর কাব্য—
চিরদিন অমলীন, মধুর।
দয়া ও দাক্ষিণ্যে ভরা—
সদা ওই মহৎ বুক,
পরের দুঃখে কেঁদেছ নিয়ত,
চেয়েছ সবার সুখ।
হে ঈশ্বর, প্রণাম জানাই
চরণে তোমার আজ,
তোমারই আদর্শে ধন্য হোক
এ বাংলার সকল কাজ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর—
বিদ্যা সাগরের উত্তাল ঢেউ।
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়—
কেন হলো বিদ্যাসাগর,
খবর রেখেছো কি কেউ?
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)