![]()
যদি মনে পড়ে ও-রে
কলমে– সুব্রত পণ্ডিত
++++++
দুপুরবেলা বিশ্রামের সময়,
যদি জানলার পাশে নরম আলোয় ভেসে যেত কিছু অচিন স্বরলিপি,
হয়তো বাতাসে উড়ে আসত আমার কণ্ঠের হালকা ধোঁয়া,
তখন তুই ভাবতিস — এই তো সুখ, আর কিছু নেই চাওয়া-পাওয়া।
এই একই দুপুর — রোদ যেন ঘুমিয়ে আছে জানলার ধারে,
বাতাস হালকা, তবু মন ভারী।
দু’টো শালিক মাটিতে ঠোকর দিচ্ছে —
যেন জীবনের ছোট ছোট সুখের ছবি আঁকছে নিঃশব্দে।
গোধূলিবেলায় —
তুই বসে আছিস গোধূলির আলোয়,
সিদ্ধান্ত নিতে পারছিস না – এটা প্রেম, না অভিমান।
ঠিক সূর্য ডোবার সময় –
তখন আমি দাঁড়াব দূরে,
সূর্যের মতোই হারিয়ে যেতে যেতে তোর চোখে পড়ব ক্ষণেক।
চাঁদ উঠেছে ঠিক সময়ে,
কিন্তু আলোটা আজ কিছুটা ম্লান,
কারণ নদীর ওপার থেকে কে যেন ডাকছে ধীরে –
“ফিরে আয়, ফিরে আয়,
এখনো তোর ছায়া ভেসে আছে আমার আকাশে।”
পাতা ঝরে ঝিরিঝিরি,
জলের ঢেউ তালে তালে মাতে নিঃশব্দ গানে,
“চল, আবার নতুন করে বাঁচি – ছবির মতো পৃথিবীর কোনো কোণে।”
স্বপ্নের আড়ালে যদি মনে পড়ে ভোররাতে,
ডাকিস না নাম ধরে – আমি চলে আসব নিঃশব্দে হাওয়ার সাথে।
ফিরে আসব না মানুষ হয়ে,
আসব এক অনুভবে ধীরে ধীরে।
যেখানে ভালোবাসা শেষ হবে না – শুধু বইবে কবিতার রবে,
কবিতার ভেতরে।
তখন প্রেমের ভোরাই জাগবে,
নামের বদলে ডাকবে – “ও-রে…”
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)