![]()
অনুষ্ঠানের ঐতিহ্য ও আনন্দ
কলমে — সুব্রত পণ্ডিত
সংকলন — শূন্যর শূন্যস্থান (প্রথম খণ্ড)
আনন্দ সংবাদ, সংবাদে আনন্দ—
শুধুই আমার আনন্দ আর আনন্দ।
তাড়া নেই, বই নেই, ধমক-চমক নেই,
পড়া নেই— আজ ছুটি, সবই বন্ধ।
সাহস করে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে
অংশগ্রহণ করবো— না ভাববো ভালো-মন্দ।
যাই করবো তাই- ভালো, সেরাটাই দেবো—
অযথা কোরোনা গো গালমন্দ।
অংশগ্রহণই আসল কথা, আসল মজা—
সদা সানন্দে সচ্ছিদানন্দ।
ভয় দূরে থাক, নিপাত যাক যত্ত সব,
দূর হ, দূরে হেটো নিরানন্দ।
এখন বুজিয়ে ফেলেছি হৃদয়–মনের..
ছোট-বড় মাঝারি সব খানাখন্দ।
তালে তালে হেসে হেসে গাইবো গান,
গুনগুনাবো নানান ছড়ার নানান ছন্দ।
যেমন খুশি সাজো-আঁকো, নাটক-যাত্রা,
খেলা, নাচ, গান, কবিতা— নিয়ে অনুষ্ঠানে নন্দ।
নানা রঙের আলো করে ঝলমল,
তবুও রাতে শোভা বাড়িয়ে তোলে চন্দ।
খেলায় ভুল হলে রাগ করবো না,
করবো না এখন আর কোনো দ্বন্দ্ব।
ছুটে ছুটে এদিক-ওদিক ঘেমে যাবো,
পোশাকে বেরোবে ঘামের গন্ধ।
ভালো রঙিন পোশাকেও ধুলো লাগবে—
বকাঝকা নেই, সবাই তো রবে অন্ধ।
নানান খাবার, নানান ভোজন,
দেখেই জিভে জল আসবে— এ কী আনন্দ!
সাথে দেখবো সাজানো পাকা টমেটো,
শসা আর রঙবেরঙের নানা কন্দ।
ভেবেছি আজ জমিয়ে আড্ডা মারবো,
আর কব্জি ডুবিয়ে খাবো ভালো-মন্দ।
খাবারের গন্ধ নয় মন্দ—
গন্ধেই সুঁচো ডন মারে; পকেট ফাঁকা, মন নিরানন্দ।
কচুপড়া— কিছুই বোঝাতে পারলাম না,
রঙে রাঙাই আমি আর গোবিন্দ।
আসরে বসে ফিসফাস, হাহা-হিহি—
চেয়ে চেয়ে শুনবো অনুষ্ঠানের ভালো-মন্দ।
সবেতেই হাততালি দেবো, মিটবে মনের আশা—
সার্থক— অনুষ্ঠানের ঐতিহ্য ও আনন্দ।।
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)