![]()
কেউ বলবে—
কলমে — সুব্রত পণ্ডিত
সংকলন- শূন্যর শূন্যস্থান (প্রথম খন্ড)
কেউ বলে — টাকা চুলকায়,
অর্থে তীর্থ হয়, দেহটাই হলো মন্দির।
মন্দিরেই আত্মারূপে বসবাস করেন ভগবান,
স্বর ও সুরই সংগীত।
সংগীতে সংগতের মূর্ছনায়,
মুহূর্তেই মনে আনন্দ যায় খেলে।
আনন্দের শিহরণে রোমাঞ্চিত মন,
রোমাঞ্চকে গিলে ফেলে।
রোমাঞ্চের রোজনামচায়,
জগতে রচিত হচ্ছে সমগ্র রচনা সামগ্রিক।
রচনায় — আবেগ, উদ্যোগ, অহংকার,
অবহেলার ছোঁয়া — সবদিক।
ছোঁয়া দিয়ে ছুঁতে ছুঁতে,
ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা অগ্রসর হচ্ছে অবিরত।
অবিরত এগিয়ে চলেছে আমার সময়,
সময় নষ্টকে জীবন কয়।
নষ্ট জীবন কবিতায় কষ্ট পায়,
কষ্টের ছোঁয়ায় প্রেম লুকিয়ে বয়।
প্রেম সবসময় আসে যায়,
হেসে কথা কয় — কেউ ধরে, কেউ হারায়।
হারিয়ে যায় অমূল্য জীবন,
কিছু জীবন ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই পায়।
ইতিহাস বড়ো নির্মম,
সত্যি কথা লিখে রাখে আগামীর ভালোর তরে।
আগামীকাল, আগামী প্রজন্ম,
আগামী চিন্তা ভাবনা ভালো হয় ইতিহাস পড়ে।
ইতি-তে মায়ের কোলে ঢলে পড়ি —
বাসনা এই, ইতিহাস গড়ো ইতিহাস নেড়ে।
ঢলে পড়ে মানুষের ঢল,
শোকাতুর নয়নের জলে ভাসবে বিদায় বেলা।
বিদায়ী কিছু কান্না, কিছু চাপা আর্তনাদে,
কিছু অব্যক্ত ভাষাতে নামটি রোমাঞ্চিত হবে।
রোমাঞ্চিত হবো না শেষ কলরবে,
কলেবর ছাই হয়ে মাটিতেই মিশে যাবে।
মাটিকে দেহ দানেই মাটির ঋণ শোধ,
কিন্তু আরো ঋণ শোধ হবে কিভাবে?
কিভাবে শোধ হবে মায়ের ঋণ, বাবার ঋণ,
পরিবার-পরিজনের ঋণ, সামাজিক ঋণ —
কেউ বলবে…
![কবিকল্পলতা প্রকাশনী [Kobikolpolota Prokasoni]](https://prokasoni.kobikolpolota.in/wp-content/uploads/2020/08/pro-nw-m-logo.png)