বিদায় বর্ষার
বর্ষার বিদায় বেলা, শিউলির আমেজ। কাশফুলের স্নিগ্ধতা, শরতের বিকেল। মেঘ গুলো ছুটাছুটি, গগণে হারায়। বর্ষার বন্দি জীবন, মুক্ত হাওয়া। পাখি গুলো নীরে ফেরে, যেনো গেয়ে গান। শরতে আগমনি সুরে, প্রেমের জোয়ার।
বর্ষার বিদায় বেলা, শিউলির আমেজ। কাশফুলের স্নিগ্ধতা, শরতের বিকেল। মেঘ গুলো ছুটাছুটি, গগণে হারায়। বর্ষার বন্দি জীবন, মুক্ত হাওয়া। পাখি গুলো নীরে ফেরে, যেনো গেয়ে গান। শরতে আগমনি সুরে, প্রেমের জোয়ার।
একটা জীবন তোর বিরহেই কেটে যাক কপটতায় হবো না হতবাক কষ্টগুলো যদি কামড়ে কামড়ে খায় খাক ইশারাতেও খাবো না ঘূর্ণিপাক তোর আঘাতের হৃৎশূল ধুতরা ফোটায় ফোটাক বাজাবো না প্রবঞ্চনার ঢাক। একটা জীবন বেদনার নীলে মাখে মাখাক আসে আসুক যতই দুর্বিপাক…
সমস্ত রাত্রি পেরিয়ে এখানে আমি কতটা অনুভব মিলিয়ে গেলে পাওয়া যায় কিছু তেমনি আমিও পেয়েছি কিছু যার কোনো পরিমাপ নেই, অথচ অদ্ভুত সুন্দর নিদারুণ ভাবনা: চেনা কিংবা অচেনা শহরের পাশাপাশি দিয়ে এগিয়ে চলে যায় বহুদূরে যার নাগাল আমার সার্থের বাইরে।…
যাঁরা স্বাধীনতা চায় পোশাকের, আবরণের ওঁদের ছেড়ে দিয়ে এসো আফ্রিকার জঙ্গলে ওঁরা থাকুক নগ্ন কিংবা অর্ধনগ্ন দ্যাখা যাক ওঁদের স্তন, তলপেটে কিংবা যৌনাঙ্গ। গায়ের চাদরটা এঁদের কাছে যেহেতু এতোটাই ভারি দিয়ে দাও ওঁদের নগ্নতার স্বাধীনতা — উইপোকা কাটুক ওঁদের যৌনাঙ্গ,…
ছোট্ট মোদের গুড় নদী ভাই বয় সে শীতল পানি, পাড় দু’টি তার খেলায় দানে সবুজ গাছের ছানি। সারা বছর রূপ দেখে হাঁস মৎস্য করে খেলা, ঢাল বেয়ে গায় হরেক ফসল দোলায় গড়ে মেলা। রঙিলা নাও দর যেচে দেয় বর্ষা কালে…
সমস্ত ভালোবাসা অনন্তময় জীবনের সময় একদিন শুধু পেরিয়ে যাবে সমস্ত গ্লানির সীমানা হাত মেলিয়া হাতের নাগালে স্পর্শ কতো অতীত রেখা ধরে আমি টের পাবো হৃদয়ের খামে পরিচয়হীন ঠিকানা আঁখিপাতে। নক্ষত্র মারা গেছে পক্ষপাতে কত বিনিদ্র রজনী পার করে এসেছি এভাবে…
হঠাৎ ক্যানো জানি জান্তে ইচ্ছে করছে আমি যদি জীবনের শেষপ্রান্তে এসে – দ্রোহের কবির মতো শিশুসুলভ হ’য়ে যাই — তুমি তোমার নিজহাতে স্নান করিয়ে খাইয়ে দিবে কি আমায়? ক্ষমা করবে কি আমার ছোটছোট ভুল গুলো? জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে —…
অরণ্য আমাকে টানে, জীবনের ঘ্রাণে ঘ্রাণে। বাঁচো তব প্রাণে, কী বলে জানি কানে কানে। কী হবে থেকে মানব মাঝে, জোর যার সে বসে রাজে। পাপী লোক সাধু সাজে, ভয় নেই আর লাজে। জ্ঞানীর কদর নেই, কারারুদ্ধ, বলো যেই। পাপীর শাস্তি…