আগলে রেখেছিলে বক্ষে
বাবা তোমার সাথে মিল কা’বা পরম শান্তি মিলে সেথায় — কা’বার মতো মিলে প্রশান্তি — তোমার বুকের ছাতায়। তুমি তপ্ত রবি — নিজে পুড়ে আলো দিয়েছো মোদের নিজের স্বপ্ন পুড়িয়ে উর্বর করেছিলে উদ্যান কঠিনতম দুঃসময়ে মোদের জীবন থেকে নাওনি কভু…
বাবা তোমার সাথে মিল কা’বা পরম শান্তি মিলে সেথায় — কা’বার মতো মিলে প্রশান্তি — তোমার বুকের ছাতায়। তুমি তপ্ত রবি — নিজে পুড়ে আলো দিয়েছো মোদের নিজের স্বপ্ন পুড়িয়ে উর্বর করেছিলে উদ্যান কঠিনতম দুঃসময়ে মোদের জীবন থেকে নাওনি কভু…
ঝরা পলাশের স্বপ্ন বিমল মণ্ডল ১. প্রতিবাদী মুখে দীনহীন শান্ত চেহারার দেহের মাপে কুঁজো শরীরে অসংখ্য খিদে একটা যুদ্ধ আসন্ন হলে ঠিকুজিকোষ্ঠী সন্ধান মেলে খুন হওয়ার পর। ২. আগুনের গোলা নেমে আসে সারা শরীরে জীবনের সোনালী দিনগুলো যখন খরচ হয়…
বাবা বিমল মণ্ডল আজ আমার স্মৃতি কক্ষে বাবা শব্দ উচ্চারণ হলে শরীরে সমস্ত শক্তি খুঁজে পাই আমার শৈশব, কৈশোর ও যৌবনে তোমাকে ঘিরে আমার বন্ধু বাৎসল্য এক একটা পক্ষে আমার ও তোমার প্রেম রোদ,বৃষ্টি ও জলে তোমার ছায়ায় থেকে ‘বাবা’…
আজ যদি মনে পড়ে মন বাড়িয়ে মনের মতো করে বৃথা শহরের স্মৃতির দেওয়ালে হৃদয়ের মানচিত্র উড়িয়ে তবে জেনে রেখো পৃথিবী মানুষের ভিড়ে পথ খুঁজে সন্ধ্যা নামিয়েছিল ‘সে’ ই। এই শহর আঘাত দিলে নামবো না আর অশ্রু ঝরিয়ে সবে মাত্র উড়ে…
সত্ত্বার গভীর বিমল মণ্ডল জেগে জেগে উন্মুক্ত সত্বার গভীর আবছা আলোক দ্যোতনা শব্দ আবহ আজ আমার চেনা অক্ষর অক্ষরে প্রতিদিন মিশে যাই শব্দের উত্তাল খুশিতে ছন্দের যাপনচিত্র সঙ্গমরত কবিতায় মধুর মিলন পথ বাড়িয়ে হাত সকাল -সন্ধ্যা- রাত উত্তরণে সত্ত্বার গভীর।
জনস্রোত বিমল মণ্ডল তোমার অহেতুক কথা বলা শৈলী শব্দতানে অক্ষর অন্তর্জালে এলোমেলো কথা রেখা ফুটে ফুটে ওঠে দিগন্ত বিস্তৃত কবিতায় আমার বর্ণ আকাশ মাযার খেলা আঁধারে জনস্রোত কবিতায় মিশে যায়।
রানি, তুমি আবার সেজেছো! … না সাজলেই পারতে একি! তোমার রাজবাড়িকেও সাজাচ্ছো! চাইবে কি কেউ দেখতে তোমার রাজবাড়ির ভাঙ্গা দেওয়ালে খসা বালি আর অকেজো গাছ শুকনো রাজসরোবরে হয়তো কচুরিপানা আর জিওল মাছ তোমার সিংহদুয়ারে আজ অজস্র কুঞ্চিত ভাঁজ তুমি সেজেছো…
বাড়ির পাশেই বটতলা বিমল মণ্ডল আমার একটি ঘর ছিল সেখানে একটি বাবা ছিল আর একটি মা রোক আমাকে ডেকে নিয়ে বসত খিদের সময় বাবা একটা আকাশ নিয়ে আসত মা নিয়ে আসত সমগ্র বাতাস আমি তখন প্রসন্ন মুখে আকাশ আর বাতাস…