রেখো তুমি সাথ
একটুক্ষন তোমার কাছে, অতিথি হলাম বেশ! থাকব আমি প্রিয় হয়ে, হেমন্ত আমার নাম। একটু ছোঁয়া, তোমায় ঘিরে, থাকবে আজীবন, ভালোবাসা দিলাম তবে, রেখো তুমি সাথ।
একটুক্ষন তোমার কাছে, অতিথি হলাম বেশ! থাকব আমি প্রিয় হয়ে, হেমন্ত আমার নাম। একটু ছোঁয়া, তোমায় ঘিরে, থাকবে আজীবন, ভালোবাসা দিলাম তবে, রেখো তুমি সাথ।
বাংলা ভাষা, বাংলা ভাষা, মুক্তো ঝরে, বারে, বারে, রামায়নের খোলা পাতা, সীতা ভাসে চোখের জলে। শব্দে, ছন্দে, ভাবে, সুরে, কৃত্তিবাস, আমার মনে, কি জাদু, যে তোমার গুনে, পাখি যেন, তোমার বশে।
সে নয় অন্য কিছু – নীরব আলাপ ঢের বেশি সে অন্তরের পরিচয়; হৃদয়ে রয়েছে প্রেম প্রীতি ভালোবাসা নীল বাংলার প্রান্তরে প্রান্তরে – এ আকাশ এ বাতাস এ পাহাড় সমস্ত কিছু টের পাই সমুদ্রের ঢেউ-এ; তোমারে রাখিব মনে নক্ষত্রের আয়ুতে আমারে…
হলুদ পাখি, ফিরে এসো, আমার ভাঙা ঘরে, সত্যি বলছি, দূরে থাকো, চায়নি আমি মনে। স্বপ্নে বিভোর রাজপ্রাসাদে, সেটাই হল ভুল, তুমি আমার, শেষ বসন্তের, ভালোবাসার মুখ।
তুই যে আমার, হারিয়ে যাওয়া, ছোট্ট ছেলেবেলা। থাকিস কেমন, আমায় ছাড়া, থাকিস কেন একা?
লালবাতাসা, লালবাতাসা, তোমায় ছেড়ে থাকি, মনের ভিতর, তোমার কথা, আড়াল নিয়ে বাঁচি। আড়াল আমার, বেড়ে ওঠা, ছোট্ট টবে ফুল, তাকিয়ে থাকি, ফুলের দিকে, হয় না যেন ভুল। বাঁচবে প্রেম, বাঁচবে আশা, তোমার, আমার মাঝে, সেটাই হবে, জাগিয়ে রাখা, হৃদয় ভালোবাসে।
পলাশে আগুন, বাতাসে ফাগুন, আমার অবুঝ মন, ছড়িয়ে দিলাম, ভাবনা আমার, আনবে নতুন সুর। ঝরায় ফাগুন, বারে, বারে, তোমার চেনা চোখে, হারিয়ে গেলাম,হলুদ বসন্তে, আছেসে বসে দূরে। দখিনা বাতাস, চুপি, চুপি, জমেছে অনেক কথা, মধুর মিলন, আমায় তুমি, বলবে, সুখের…
চুপচাপ ডালে দ্যাখো, ছোঁয়া দিল,বসন্ত, তাই বুঝি, এত ফুল, আসরটা জমাল। এত রঙ, পায় কোথায়? জানল’না, কেউ তা, আসাযাওয়া, এতবার, ফাগুনের’ও অজানা।