তুমি কি সেই মেঘবালিকা
আমি যখন ছোট ছিলাম, ঘুমের ঘোরে বেরিয়ে যেতাম মেঘের দেশে। সেথায় কতশত মেঘ উড়ে বেড়ায়! তাদের মাঝেই প্রথম দেখলাম তাকে খিলখিলিয়ে হাসছিল সে .. আমি বললাম.. এই মেঘ নাম কী রে তোর! মেঘবালিকা ঠোঁট বাঁকিয়ে বললো.. নাম দিয়ে কী করবি..?…
আমি যখন ছোট ছিলাম, ঘুমের ঘোরে বেরিয়ে যেতাম মেঘের দেশে। সেথায় কতশত মেঘ উড়ে বেড়ায়! তাদের মাঝেই প্রথম দেখলাম তাকে খিলখিলিয়ে হাসছিল সে .. আমি বললাম.. এই মেঘ নাম কী রে তোর! মেঘবালিকা ঠোঁট বাঁকিয়ে বললো.. নাম দিয়ে কী করবি..?…
হলুদ পাখি, হলুদ পাখি, বিকেল বেলার আলো, চাইল কেন, আমার দিকে, লাগলো তাকে, ভালো।
হলুদ পাখি, হলুদ পাখি, হলুদ রঙের বাহার, উঠল আবার ঝলমলিয়ে, এল’যে বসন্ত আবার।
বুনো রোদ্দুর হাকিকুর রহমান শুষ্কতার মুখে, কিসের অবসন্নতার বিলাপ কিসেরই বা অবিরল অসংলগ্ন সংলাপ- নিকষ আঁধারে ডুবে যায় দৃষ্টি বাতায়নে বহে হোমাগ্নি নিরুত্তাপ। রঙিন স্পর্শ পাইতে চাই, তবু কোন সুখে দিনান্তে শুরু হওয়া কোন সধবার প্রলাপ- হাসির আড়ালে উড়িয়ে দিয়ে…
সুখ নামের পাখি হাকিকুর রহমান “সুখ নামের সুখ পাখিটা” বন্দী হলো সোনার খাঁচায়, ঝাপটে মরে বাইরে যেতে কেইবা আছে তারে বাঁচায়। ছিল সে একাই পড়ে ছিল না তার কোন আশা, হলোনাতো স্বপ্নপূরণ অশ্রুজলে শুধুই ভাসা। গেলো সব উধাও হয়ে গেলো…
রূপালি ডানার রৌদ্দুরগুলো যখন, উড়ে বেড়াত, সবুজ-ছায়ায়, পাখিদের কথা, মনে পড়ে যেত, তাদের জন্মের, নিড়ের কথা বলত। চোখে ভাবেরা এসে জায়গা নিত, যত দূরে চলে যাই’না কেন? পাখিরা হৃদয় থেকে নিয়ে, ঠোঁটে করে, টুপ করে ফেলে দিত। ভাব-এর ঘরে, সঙ্গীরা…
বাসন্তী- তোমার ঐ আবেগী অগোছালো ঘর, প্রশান্তি মিলে- তোমার চঞ্চলা ও এলোকেশী বাহারীতেও! প্রশান্তি মিলে- ঋতুরাজ এ বসন্তে সাদা কভার এর লেপ এ জরিয়ে থাকা চাহুনিতে, যখন বলো- গতঘনমাঘের গা ঝেড়ে এবার আমিও বলবো এসো প্রিয় তুমি বসন্ত হও আমাকে…