এক বছর আগের একদিন
মনে হয় ঢের বেশি প্রিয় অন্ধকার! এখানে ওখানে শোনা যায় রক্তমাখা ভূতের কাহিনী! চমৎকার! এক-দুই ফোঁটা শিশিরের মতো যদি কাল রাতে নিভে যেতো আলো তবে আর কোনোদিন খুঁজিব না আলোর মতন প্রহর, আমি খুঁজিব দুরন্ত প্রজাপতির জীবন যেখানে ঘুম চলে…
মনে হয় ঢের বেশি প্রিয় অন্ধকার! এখানে ওখানে শোনা যায় রক্তমাখা ভূতের কাহিনী! চমৎকার! এক-দুই ফোঁটা শিশিরের মতো যদি কাল রাতে নিভে যেতো আলো তবে আর কোনোদিন খুঁজিব না আলোর মতন প্রহর, আমি খুঁজিব দুরন্ত প্রজাপতির জীবন যেখানে ঘুম চলে…
বর্ণ, ছন্দ, সব জব্দ, তোমার কাছে। এক সমাপতন, তোমার অমন রূপে, নিঃশব্দে! বর্ণ পরিচয়, ছন্দ পরিচয়, শেখাতে বসেছে এখন, কি করে সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি! যে গরিমায়, অর্পূব! আমাকে অপচয়, মনে হয় না আর, আমার, “করপুট অঞ্জলি”, বর্ণ-ছন্দ-রূপ, এতদিনে মেলাতে পেরেছি।
ওগো ঝটিকা বাতাস প্রবল-বহিওনা তুমি জোরে রাতের প্রদীপ মোর নিভাওনা তব ত্বরে। তারি যে পথ চাইয়া বসিয়াছি দীপ জ্বালিয়া দরাজ দুয়ারে আজি রইয়াছি জাগিয়া কুন্তলে সুগন্ধি জুই কবরীর মাঝে চন্দন ছড়ায়ে গৃহ সৌরভ সাজে পাতিয়াছি সুজনি গুলাব ছড়ায়ে পুস্পমাল্য হাতে…
ও’গো বকুল, অনেক পরে, ফুটবে, যখন রাতে, হায়’রে সকাল একলা হলে, মনে ক’র তাকে। ইচ্ছেটা, তার ছিল সাথে, তোমায় দেখার পরে। তবুও কেন, ছুঁলে পরে, যাও’গো ঝরে, ঝরে।
ও মেঘের দল, হারাস না আর, কালো মেঘের ভিড়ে, সাদা রঙটা, ছড়াস এবার, সারা আকাশ জুড়ে। নদীর জলে, ছলাৎ, ছল, দাঁড়টি টেনে মাঝি, হারিয়ে যায়, অনেকদূর, বাঁক দিয়ে যায়, নদী। এসেছে শরৎ রানি হয়ে, পদ্মের দল রাঙা। সাজিয়ে তোলে শিউলি…
ভোরের আলোয়, সাজিয়ে তোলে, সকালটা’তো বেশ! শিউলি হাসে খিলখিলিয়ে, বর্ষার গান শেষ। শালুক জাগে, পাতার উপর, রঙটা লাগুক মনে। কাশের বনে, খুশীর মাতন, শরৎ এসেছে বলে।
নিশ্চুপ শহর একাকী সাদা মেঘ জমে আছে কালো নীরবের পাতা সঙ্গে আনে শেষ অধ্যায়ের পাতাগুলো। শহরের মানুষ সব ঘুমন্ত শান্ত শহীদের প্রাণের স্পর্শ দোলা দেয় জীবন্ত মানুষের ঘুমের মধ্যে। তারপর একদিন নীরবতায় সঙ্গী হয়ে উপন্যাস লিখে যায় আমি…
রাত্রির আগমনে, নক্ষত্রের জাগরণ। একা আনমনে, আলোর বিচ্ছুরণ। আমার অবসরে, আমার আবিষ্কার, নক্ষত্রের দিকে, বারে, বারে চোখ যায়। আদি, অকৃত্তিম, সৃষ্টির মূহুর্তে, নক্ষত্রের জন্ম, মহাশূন্যের বুকে। আলোর জন্ম, ভবিষ্যতের জন্য। প্রাণের মূহুর্ত, সাক্ষী হয় তার। নক্ষত্রের চঞ্চলতা, যেন জীবনের উচ্ছ্বাস।…