যেদিন চলে যাব পৃথিবী ছেড়ে
যেদিন চলে যাব পৃথিবী ছেড়ে সেদিন থেকে আর লেখা হবে না কবিতা সেদিন থেকে অরব হয়ে যাব সেদিন থেকে আমার ছবিতে মালা দেওয়া হবে সেদিন থেকে আর দুঃখ পাব না সেদিন থেকে আমায় আর কেউ দুঃখ দিতে পারবে না সেদিন…
যেদিন চলে যাব পৃথিবী ছেড়ে সেদিন থেকে আর লেখা হবে না কবিতা সেদিন থেকে অরব হয়ে যাব সেদিন থেকে আমার ছবিতে মালা দেওয়া হবে সেদিন থেকে আর দুঃখ পাব না সেদিন থেকে আমায় আর কেউ দুঃখ দিতে পারবে না সেদিন…
সব মানুষ যেমন মানুষ হয় না তেমন সব মানুষ ভালোবাসতে পারে না। কাউকে ভালোবাসতে পারা এক মহৎ কাজ এই কাজ সবাই করতে পারে না। যারা ‘ভালোবাসা’র অর্থ জানে যারা ভালোবাসতে পারে তারাই পয়া। মানুষের ভিড়ে অমানুষেরা থাকে তার মধ্যে থেকে…
তুমি যদি আমাকে ভালোবাসতে না পারো তবে ভালোবেসো না কিন্তু ভালোবাসা নিয়ে খেলা কোরো না আমার খুব কষ্ট হয় আমি খুব দুঃখ পাই। তুমি যাকে ভালোবাসতে চাইছ তাকেই মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসো আমি সরে যাব। একবার তুমি আমায় সত্যি করে…
বড্ড অগোছালো, এলোমেলো সময়গুলি আজকাল যেন রীতিমত আমার বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেছে; কোনভাবেই ভাবনার সাথে তারা সিংক্রোনাইজড হয় না, আর তাইতো শত চেষ্টাতেও শব্দগুলো আর সুগন্ধি কবিতা হয়ে ওঠে না; একটা ‘নিছক’ কথামালা রূপে থেকে যায়….. তারা কেবলই বন্চিত করে দুচোখের…
ছাড়তে না ইচ্ছে করলেও ছেড়ে দিতে হবে এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে। যেদিন এসেছিলাম পৃথিবীতে মনে ছিল কত আনন্দ যেদিন ছেড়ে চলে যাব সেদিন মনে থাকবে কত দুঃখ। কেন এমন করলেন ঈশ্বর? —- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী ২২/৫/২০২৫
আমি আকাশের গায়ে লিখে দিয়েছি তোমার নাম তুমি কি দেখতে পাওনি? আমি সূর্য আর চন্দ্রের বুকে লিখে দিয়েছি তোমার নাম তুমি কি দেখতে পাওনি? আমি রামধনুর গায়ে লিখে দিয়েছি তোমার নাম তুমি কি দেখতে পাওনি? আমি নির্ঝরিণীর স্রোতে লিখে দিয়েছি…
তোমার কথা ভাবতে ভাবতে তোমার ছবি দেখতে দেখতে তুলির মতো টানা টানা তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তোমার গোলাপি গালের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তোমার লাল ঠোঁট দেখতে দেখতে তোমার কণ্ঠস্বর শুনতে শুনতে অমাবস্যার রাতের মতো ঘন কালো তোমার…
এই আমি, আমার সমস্ত জিজ্ঞাসা নিয়ে পথ চলেছি হাজার বছর ধরে জীবনানন্দ-সুধীন-বিষ্ণুর কবিতার সুদীর্ঘ নগরে…. তবুও তোমার সাথে এতকাল আমার কেন দেখা হলো না? কেন এই নাদেখা বারবার! যে তুমি আমার একান্ত ইচ্ছার ফসল স্বপ্নের আদলে গড়া জীবনের আদল! তোমার…