পান্তাভাতে ঘি (২)
কবি বলেছিলেন-“ও পাড়ার সুন্দরী রোজেনা সারা অঙ্গে ঢেউ তার, তবু মেয়ে কবিতা বোঝে না!” আসলে কি তাই? আমার মন বলে-আসলে রোজেনা ডানও বোঝে না, বামও বোঝে না… সে ঝলমলে আলো দেখে কেবলই সুখ খোঁজে অন্ধকারেরও যে বিধ্বংসী রূপ আছে, তা…
কবি বলেছিলেন-“ও পাড়ার সুন্দরী রোজেনা সারা অঙ্গে ঢেউ তার, তবু মেয়ে কবিতা বোঝে না!” আসলে কি তাই? আমার মন বলে-আসলে রোজেনা ডানও বোঝে না, বামও বোঝে না… সে ঝলমলে আলো দেখে কেবলই সুখ খোঁজে অন্ধকারেরও যে বিধ্বংসী রূপ আছে, তা…
পুনর্জন্ম বলে কিছু থাকুক বা না থাকুক… স্মৃতির বাক্সে জমা কথা চিহ্নটুকু না রাখুক … তবু আমি আষাঢ়ি বাদল অসাড়ের যতো সার… পিছে ফেলে রূপকথার শৈশব সাজি দশম অবতার | উঁচু নীচু ভেদ ভুলি বেঁচে থাকার স্বার্থে, সংসার বাঁচাই যত্নে…
গেলাম কথাবলা মানুষের কাছে; কেমন যেন গাছাড়া ভাব! সহজে কেউ কথা বলে না, চাইতেও আপত্তি ভাবি- তবে তাদেরও কি বোবার মত সিন্ডিকেট আছে! অতঃপর গেলাম মানুষের বাজারে; সবদিকে রীতিমত এ্যাবসার্ড অবস্থা, গুমোটও বটে! সবাই একসাথে রা বলে, ইচ্ছা হলে ফের…
এখানে এক অবাক শীতের অকালবোধন! খুবই গুরুগম্ভীর শীত, কিন্ত আগুন জ্বালানো নিষিদ্ধ তাই বুঝি সকলে নাক-কান-চোখ-মুখ এক অবাক কাপড়ে শক্ত করে বেঁধে মুখ গুঁজে পড়ে আছে এক অবাক বাতাসের বালিশে তবুও চারিদিকে হিহি-রিরি-হাহা-হোহো শব্দের দূরন্ত খেলা অবাক বাতাসে; এ বাতাস…
তোমার কবিতায় তুমি বড্ড প্রশ্নবোধক; কখনো মাল্টিকালার রহস্য-সারিসারি তুমি যেন সেখানে এক আজব কল্পনা হয়ে রও… তোমার বিস্তরণ আর্থ থেকে শুক্র হয়ে বুধ অবধি- কখনো রবিতেও পৌঁছাও; তাকে দূরন্ত-বাস কদম্ব বানাও… পুব হতে পশ্চিম, নালা হতে মহাসিন্ধু তোমার অবাক সন্তরণ!…
সময়-সিদ্ধ এ জীবন, যা কিনা ঘটনা-অণুঘটনায় দিব্যি মেঘের মত মুখরিত, আজ অনায়াসে বুঝে গেল- কবিতার ভাষা এতটা সাবলীল! ঠিক যেন কুয়াশার ধ্রুপদী পতন। জীবনের ভাষা! অবশ্যই নয়; ঘাত-প্রতিঘাত, নাদ-নিনাদের সারগাম বলে দেয়- জীবন ও সময় আজ কতটা মুখোমুখি! কবিতার স্বপ্নের…
শঙ্খ-উল্লুর শব্দ গঙ্গা স্নানে ডুব দেওয়া পূর্ণিমার জীবনের দিকে যাত্রা শুরু শহর তার মাকে ডাকছে লাল রঙ করা হাত-পায়ে তার বাসস্থান থেকে নেমে আসার জন্য আজ রাতে দশটি দরজা বন্ধ ভেজা রাস্তা আলোয় সজ্জিত এখানে পিতৃপক্ষ ম্লান এবং মাতৃপক্ষ শুরু…
তুমি আমার স্মৃতিকুঞ্জে বিশাল দিগন্ত বরাবর মাঝেমাঝে হেঁটে গেলেই তোমার কর্তব্য সেরে যায় | আমার কর্তব্য শুরু হয় ভোররাতে খালি স্টেশনের পাশে নর্দমায় গচ্ছিত ঘৃণা কুড়িয়ে … তারপর সেই ঘৃণা দিয়ে ফানুস বানিয়ে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে দেই সে ঘৃণা আকাশে…