হয়তো ফিরবো
হয়তো কখনো ফিরবো_ কোনো এক সন্ধ্যায়,ভীষণ ক্লান্তিতে! নিবু আলোয় লিখবো হারানোর কথা, পুরোনো সেই ডায়েরীতে!
হয়তো কখনো ফিরবো_ কোনো এক সন্ধ্যায়,ভীষণ ক্লান্তিতে! নিবু আলোয় লিখবো হারানোর কথা, পুরোনো সেই ডায়েরীতে!
সবুজের বুকে জাগলো হলুদের আলাপন, মিষ্টি গন্ধে মুখরিত মাঠ-কূল, রোদ্রের স্পর্শে ছড়ালো বিষ্ময় রঙিনতা, দু-চোখ তাই বেজায় ব্যাকুল!
‘চোখ’ ছুঁতে পায় তার চোখ, তবে ‘মন’ ছুঁতে পায় না তার মন! মন ছুঁতে গেলেই দূরত্ব বাড়ে, চোখ করে ভীষণ অভিমান তখন!
বেসামাল উন্মাদ, অঙ্গারে জ্বলে, স্লোগানে মুখরিত মৃত্যু মিছিল। দহনের উচ্ছ্বাস সিগারেট জুড়ে ছাই জানে কতটা পুড়ছিলো ‘দিল’।
ভাবছ প্রেমিক কিন্তু প্রেমিক নই সই আমি তার প্রেমের সই নই তার কথার বাঁদী রাজি হতে পারি আজই
শেষমুহুর্তের ব্যস্তহীন শহর। চারিপাশের কোলাহলের অচঞ্চলতা, মোড়ের দোকানগুলোর শাটার নামানোর শব্দ। রাতের আকাশে হঠাৎ করে জমে যাওয়া অস্থির মেঘের অহংকার। সারাদিনের হৈচৈ, ছুটাছুটি, দৌড়ঝাঁপের পর, রাতের নিষ্ক্রিয় রাস্তায়, পরিশ্রান্ত পাঁয়ের অল্প অল্প পথচলা। এক দমকা হাওয়ার সাথে, পথে হঠাৎ চুপশব্দে…
এত হাহাকার আমায় যেন শান্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেবে না। এত ক্লান্তি আর অবসাদ যেন জমা হয়ে পড়ে আছে। বিন্দুমাত্র সুখের আশায় এত ঘামঝরা পরিশ্রম, প্রতিবেলা ভালো থাকার এই আর্তচিৎকার কেউ কি শুনতে পায় না? ভালো নেই, জীবন বিষাদগ্রস্ত এক যাযাবর।…
এক অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক, মৃত্যু অবধি পরস্পরের ভালোবাসা আর বন্ধন, একই বৃন্তেরই দুটি ফুল। মধুরতা, স্নেহ আর মায়া মাতৃছায়ায় বেড়ে উঠার সময় থেকেই প্রতীয়মান। কখনো বুকভরা ভালোবাসা কখনো একরাশ বেদনার আশ্রয়স্থল, উভয়েরই ভরসার কেন্দ্রস্থল যেন একে অপরের পরিপূরক। কারন একই রক্ত…