প্রতিফল
বক্ষে রেখে দিলে যে কেউ মান – রাত্রে মেরে কুড়াল দিস্ নে রে তুই উড়াল ভেবে তারে সার হারা খানদান! মানছি পাবি শুভ্র দীঘল কাশ – আসলে তবু সিডর দেখবি তারই ভিতর চুপটি জেগে আইক্ক্যা অ’লা বাঁশ! কাশ> কাশফুল।
বক্ষে রেখে দিলে যে কেউ মান – রাত্রে মেরে কুড়াল দিস্ নে রে তুই উড়াল ভেবে তারে সার হারা খানদান! মানছি পাবি শুভ্র দীঘল কাশ – আসলে তবু সিডর দেখবি তারই ভিতর চুপটি জেগে আইক্ক্যা অ’লা বাঁশ! কাশ> কাশফুল।
(১) কও তো তবে! তোমরা যারা বলছো যেচে সেজে কালের ছা জাতক, ’ওর ডাকে তো প্রেম ছিলো না শুধুই ছিলো কাল পাতক!’ মানছি আমি কও তো তবে জমলে না মেঘ ওই বুকে, কিসের আশায় এই ভোলা মন সাজতো আড়ে রোজ…
বন্যার প্রবল পানি ঢুকে তাজা মাঠে সুখের আশায় করে ভালোবেসে যতটুকু ভুল, বিদায়ে ঠিকই সে যায় দিয়ে অবশেষে বুকের জমানো পলি ক্ষয়ে ক্ষয়ে দ্বিগুণই মাশুল!
আশার পসরা মেলে বানিয়ার নাও র’লেও ব্যাকুলে জেগে দামে-দরে ছায়া ঘেরা ঘাটে, সমস্ত দিনের কথা হেরে অবেলায় রাতের উদরে যেতে নুয়ে পড়ে গোধূলির বাটে।
নিষ্পলক মাছের চোখের মত চোখ ভাবলেশহীন ফ্যাকাশে বিবর্ণ মুখ চেয়ে আছে আমার দিকে প্রশ্নচিহ্ন নিয়ে কী ভীষণ সেই দৃষ্টি কী গভীর মর্মভেদী সেই প্রশ্ন। এড়িয়ে যাবো পা বাড়ালাম পরক্ষনেই বিবেকের সাথে সজোরে ধাক্কা পালিয়ে যাচ্ছো? গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে গেলাম কাঁপা…
অদ্ভুত রহস্য গেছো চিরতরে বুনে করেও আপ্রাণ চেষ্টা পেলাম না আজও খুঁজে তল, হয়তো থাকলে হতো শার্লক হোমস কিংবা কিরীটী রায়, ফেলু দাও এখানে অচল!
হারায়ে স্বপ্নের বল রজনীর ঘোরে আহত নক্ষত্র এক লোনা জলে খসে পড়ে যদি, থাকে না অতল সেই সমুদ্রের বুক নীরবে আঘাত সয়ে জেগে রয় হয়ে মরা নদী!
আঁধার রাতে তুমি এসে দাঁড়ালে নদীর পাড়ে, চেয়ে দেখি জ্যোৎস্না স্নানে নেমেছো তুমি – ঘাটের মস্ত চাতাল জুড়ে। শীতল হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলে অতি যত্নে কুড়ানো পালকটি। আমি ছুটে যাই হাত বাড়িয়ে ধরতেই তুমি মিলিয়ে গেলে।।