বাংলা কবিতা

প্রেমিকা

তুমি আমার স্মৃতিকুঞ্জে বিশাল দিগন্ত বরাবর মাঝেমাঝে হেঁটে গেলেই তোমার কর্তব্য সেরে যায় | আমার কর্তব্য শুরু হয় ভোররাতে খালি স্টেশনের পাশে নর্দমায় গচ্ছিত ঘৃণা কুড়িয়ে … তারপর সেই ঘৃণা দিয়ে ফানুস বানিয়ে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে দেই সে ঘৃণা আকাশে…

0
Read Moreপ্রেমিকা

হচ্ছেটা কী কে বলবে আমায়

জীবন যেন এখানে এক বিমূর্ত গোলাপ; গন্ধ-সুধা, রং-মাধুরী তার বন্দি হয়ে আছে কোন পাথুরে আকারে যাপন যেন ভাদ্রের ভেজা দাঁড়কাকের ফ্রেস্কো এক… সময় থমকে গেছে শেষ ফুলেওঠা নদীর মতো, একেবারে নিশ্চল নিস্তব্ধ, কথার ফুলঝুরি কোথায় গেল তার! সে কি ভুলে…

0
Read Moreহচ্ছেটা কী কে বলবে আমায়

কুয়াশামগ্ন কবি

আমিও হতে পারি বিমূর্ত শিল্পের যাদুকরী রূপকারের মত কোন এক বিরল কুয়াশামগ্ন কবি… আমিওতো আঁকতে পারি ধ্রুপদী সুধীনের প্রতিকৃতি, গড়তে পারি শব্দের কঙ্করে বিষ্ণুর ক্ল‍্যাসিকাল আকার প্রেমের ফুলমতির এক পারিজাত-পাঁপড়ির তাজমহল, তাও বানাতে পারি কেননা, আমি তো রঙধনু-প্রেমের রঙের এক…

0
Read Moreকুয়াশামগ্ন কবি

জীবন তরী – পার্থ বসু

দুলছে হাওয়ায় জীবন খানি স্বপ্ন যে ঐ হাওয়া, পাল তুলে ঐ জীবন নামের নৌকা বেয়ে যাওয়া। আসবে কত ঝড়ো হাওয়া আসবে নেমে আঁধার,, তবু বাইতে হবে নৌকা খানি লক্ষে পৌঁছাবার। জীবন পথে চলতে গিয়ে আঁকড়ে ধরে মায়া, সুখ দুঃখের খেলায়…

0
Read Moreজীবন তরী – পার্থ বসু

পদ‍্য ও কবিতার কথোপকথন

(কাউকে বা কোনকিছুকে ছোট করার জন‍্য এই কবিতাটি লেখা বা প্রকাশ করা হয়নি। ড. হুমায়ুন আজাদের ‘আধুনিক বাঙলা কবিতা’ নামক কম্পাইলেশনের দীর্ঘ ভূমিকা পড়ে কবিতাটি লিখতে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলাম, সে অনেক বছর আগের কথা) হঠাৎ একদিন, দৈবচয়নে বুঝি, এক আলো-আঁধারির প্রায়…

0
Read Moreপদ‍্য ও কবিতার কথোপকথন

ছাইফুলের ভোর

আকাশের সীমানায় আজ ছাইফুল ফুটেছে, রোদ্দুর তার গায়ে পুড়ে মলিন স্বর্ণরেখা। শীতল বাতাসে ভেসে আসে কার অদেখা নিশ্বাস, বাতিঘরও জানে না— কে ডাকছে দূরের তরঙ্গে। বৃষ্টিধোয়া অশ্বত্থতলায় কালি-মাখা ছায়ারা রাতের স্বপ্নের মতো কেঁপে কেঁপে ওঠে। জলছাপের মতো মুছে যায় চেনা…

0
Read Moreছাইফুলের ভোর

ধ্বংসস্তূপে পায়ের শব্দ

শহরের মাঝখানে এক ধ্বংসস্তূপ, ভাঙা ইট, ছেঁড়া ক্যালেন্ডার, আর শুকনো রঙের দেয়ালে আধখাওয়া কবিতার আঁচড়। আমি পা রাখি ধীরে— যেন প্রতিটি ইট মনে রাখে আমার পদধ্বনির নকশা, যেন ভাঙা জানালা দেখে আমার চোখের ভিতরে শহরের শেষ আলোকছবি। ধ্বংস মানে শেষ…

0
Read Moreধ্বংসস্তূপে পায়ের শব্দ

ঘড়ির ভিতর নোনাজল

দেয়ালে ঝুলে থাকা পুরনো ঘড়ির ভিতরে টিকটিক শব্দ নয়, বাজছে নোনাজলের ঢেউ। প্রতিটি সেকেন্ড কেটে যাচ্ছে একেকটি সাগরদ্বীপ ভিজিয়ে, আর আমি বসে আছি তীরে যেন অপেক্ষাই আমার একমাত্র কাজ। সময় থেমে যায় না, কিন্তু মনে হয় তুমি চলে যাওয়ার পর…

0
Read Moreঘড়ির ভিতর নোনাজল

পরিচিতি বাড়াতে একে অপরের লেখায় মন্তব্য করুন। আলাপের মাধ্যমে কবিরা সরাসরি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। জমিয়ে তুলুন কবিতার আড্ডা।