বাংলা কবিতা

পাগলামী ও হাততালি

পৃথিবীতে আদৌ কি কবি বলে কেউ আছে? আসলে কোনদিন কোন আবেগের ছলে হয়ত কেউ ‘কবি’ নামটা দিয়ে ছিল; অনেকেই তো তাকে পাগল বলে এমনকি জমিনের আকাশের মহান যিনি। তবে একথা সত‍্য- যিনি বেশি পাগলামী করেন শুধুই তিনি বেশিবেশি হাততালি পান…

0
Read Moreপাগলামী ও হাততালি

কবি গেছে সেলুনে

এক শীতের সকালে প্রভুর নাম জপে জপে কবি গেছে সেলুনে কর্মদিনটা বুঝি শুরু হয়ে ওঠেনি; গুনে গুনে জনাতিনেক মেকার আর নাবালক ক‍্যাশিয়ার নিশ্চুপ বসে আছে গুটিসুটি মেরে কবিই বুঝিবা প্রথম ভিকটিম আজ এই ঘরে! চেনাচেনা এক মুখ হঠাৎ উঠে এসে…

0
Read Moreকবি গেছে সেলুনে

উত্তরণ

একদিন এসেছিল এক সুনিশ্চিত সময়, যখন আমরা ভুলেছিলাম তার পরম বিনিময় মূল‍্য; তাই অকাতরে বিলিয়েছিলাম সেদিন- সবটুকু লহু, পরমাত্মা, মায়ের স্নেহ, বাবার আশীর্বাদ ভাই ও বোনের ভালবাসা, যত সাধ-আহ্লাদ নির্বাক নিষ্পাপ হাড্ডিসার শিশু মৃত মায়ের বুকে খুঁজেছিল সেদিন ক্ষুন্নিবৃত্তির ধারা।…

0
Read Moreউত্তরণ

কবিতা আর আসে না

জীবন এতটা তিক্ত হয়ে গেছে আজকাল, সময় এতটা রিক্ত! তাই ভুল করেও আর ভাবনায় কবিতারা আসে না পরের দিনের পত্রিকার আগ্রাসী শিরোনামগুলো রাতটাকে কেবলই ব‍্যস্ত রাখে আর সকাল? সেতো আরেক আগ্রাসী কলেস্টেরল সামলানোর কাজে বড্ড ব‍্যস্ত থাকে এর পরেতো আছে…

0
Read Moreকবিতা আর আসে না

অস্বীকৃত সম্পর্ক

কবিতা যেন আমার এক পরকীয়া প্রেম; গিন্নি তাকে দেখতে পারে না, আর আমি তাকে কিছুতেই ছাড়তে পারি না কবিতা ও আমি- এমনই এক অস্বীকৃত সম্পর্ক যেন, পরিণতি যার ‘অশ্বডিম্ব’; জানি একদিন পথিক বলবে- ঐ দেখ যায়, ‘ছেড়ে যাওয়া এক অকবি’

0
Read Moreঅস্বীকৃত সম্পর্ক

মেসাইয়া

কালো মেঘ যখন সন্ধ‍্যার তমাল কুন্জের মতো আরো প্রগাঢ় হলো, ঢেকে নিল আপ্রান্ত দশদিশে ভয়ংকররূপে তখন অন্তর্গত সত্তায় অকস্মাত সাড়া দিলো- আমাদের একজন মেসাইয়া বড়বেশি প্রয়োজন অতঃপর ঘনীভূত মেঘ-বজ্র-বৃষ্টি-ঝন্জার এক সমবেত প্রলয়-নর্তন শুরু হলো; আদিগন্ত মৃত্তিকা কাঁপে, ওষ্ঠাগত প্রাণ সকলের,…

0
Read Moreমেসাইয়া

পাখি যদি মানুষ হতো

একদিন পাখিরা যদি সব মানুষ হয়ে যেত, কেমন হতো তারা? কেমন হতো তাদের ভাবনার জগৎ, গানের পরিসর? তারাও কি হয়ে যেত মানুষের মতো নিরেট বন‍্য! আর বন‍্য রক্তের আগ্রাসী তৎপরতায় গঠন করত কোন গুপ্তঘাতকের দল? হঠাৎ বেসুরো কাউকে পেলে, দিত…

0
Read Moreপাখি যদি মানুষ হতো

এই হোক তবে শেষ হনন আত্মহনন খান্ডবদাহন

হোক সে তিন কিংবা ত্রিশ, সাত কিংবা সত্তর কী এসে যায় তাতে! আছেতো তার এক শরীরের গোপন রহস‍্য-ভাঁজ, যার অমোঘ টানে নররূপী পতঙ্গ ধেয়ে যায় দিশেহারা হয়ে বিবেক বন্ধক রেখে শয়তানের কাছে কোন সে সুখের মোহে এই হনন-আত্মহনন-খান্ডব দাহন! তাহলে…

0
Read Moreএই হোক তবে শেষ হনন আত্মহনন খান্ডবদাহন

পরিচিতি বাড়াতে একে অপরের লেখায় মন্তব্য করুন। আলাপের মাধ্যমে কবিরা সরাসরি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। জমিয়ে তুলুন কবিতার আড্ডা।