ধোঁয়াশা
ধোঁয়াশা – তরুণ কবি – পার্থ বসু নিশ্চয়তাহীন এ জীবন বড্ড কঠিন, বুকের মাঝে বিঁধে রয় রোজ আলপিন। লুটিয়ে ছিলাম মেঝেতে জ্ঞানহীন সেই ক্ষণে, জীবন-মরণ রক্তক্ষরণ স্মৃতি আজও কাঁদায় মনে। আঁখি মেলে দেখি—এ কী? ধোঁয়াশা সব চোখে, তবু যেন স্বপন…
ধোঁয়াশা – তরুণ কবি – পার্থ বসু নিশ্চয়তাহীন এ জীবন বড্ড কঠিন, বুকের মাঝে বিঁধে রয় রোজ আলপিন। লুটিয়ে ছিলাম মেঝেতে জ্ঞানহীন সেই ক্ষণে, জীবন-মরণ রক্তক্ষরণ স্মৃতি আজও কাঁদায় মনে। আঁখি মেলে দেখি—এ কী? ধোঁয়াশা সব চোখে, তবু যেন স্বপন…
তুমি কোন্ প্রকারের কোন্ অধিকারে তাদের উপরে বারেবারে খেলছ মিসাইল-বোমা খেলা যখন ইচ্ছা যতক্ষণ আরোপিত বৃষ্টির মতন, অথবা কোন প্রিয় উৎসবের ক্যারাকাসের প্রীতিকর শব্দের কাছাকাছি কিছু, কেবলই কসবী-কুহক কোন অনর্থক নিষ্ঠুরতা বলা যায় যারে… যারা কিনা তোমার কেউ নয় কোন…
আমি আমার জনকের নাম ভুলে যেতে চাই এখন… একেবারে সুগন্ধ বিহীন, চেকার্ড-বৃত্ত-শূন্য হয়ে ঠিক কেন্দ্রে এক টুকরো মৃত্তিকার পরে উবু হয়ে পড়ে আছে সারাটি জীবন, এক দুঃখ-বিলাসী মন… এই দশাহীন দুঃখ-বিলাসিতার শূন্য-ভারী লেগাসীর অদৃশ্য এক সুতায় ঝুলে আছি আমি একেবারে…
চোখের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আমার হৃদয়ে বিধে—সৌন্দর্য স্পর্শ করে মনকে, এক নৈসর্গিক ভালো লাগা থেকে জন্ম নেয় হাজার বছর আগে হারানো সুর— সৃষ্টি হতে চায় ভালোবেসে অমরত্ব লাভের অধ্যায়। বহুবছর তোমাকে পড়ে পড়ে আমার সময় কেটেছে— পৃথিবীর পথে আমাদের দ্যাখা হয়…
কোনো এক অদ্ভুত সুন্দর লগ্নে, আমিও কারও দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হবো। তপ্ত দুপুরে ছায়া দেওয়া একাকী বৃক্ষ হয়ে, কারও সমস্ত ক্লান্তির শেষ ঠিকানা হবো। যখন তার বুকের ভেতর জমবে অভিমানী মেঘ, আমি এক গুচ্ছ গোলাপ দিয়ে তার কান্না থামাবো। দুঃস্বপ্নে…
তুমি আকাশ ভালোবাসতে বলে,, আমি আকাশের বিশালতার মাঝে তোমায় নিয়ে একখানি নীড় রচনার স্বপ্ন দেখেছি। তুমি কাঠগোলাপ ভালোবাসতে বলে,, আমি কাঠগোলাপের এক অনন্ত রাজ্য নির্মাণ করেছি! তুমি সমুদ্র ভালোবাসতে বলে,, আমি আমার সমস্ত জোয়ার-ভাটা, সমস্ত উত্তালতা, তোমার নামে উৎসর্গ করেছি!…
তুমি এসো,, পরিযায়ী অতিথি পাখি হয়ে, কোনো এক রোদ্দুরের পড়ন্ত বিকেলে! আমি ততোদিন অপেক্ষার ধুলো মেখে বসে থাকবো আমার একলা জানালার ধারে। তুমি এসো,, যেমন বহুদিন বৃষ্টি না হলে হঠাৎ মেঘ ফিরে আসে,, যেমন হারিয়ে যাওয়া কোনো সুর অবচেতন মনে…
মিত্রতায় কেবলই শূন্যফল; দেখি-কেবলই বিরুদ্ধ যাপন, শুধু তন্ত্রের অপ-কৌশল, কেবলই ক্ষয় হরণ হনন এবার তাই সর্বৈব বৈরিতা- হুলুস্থুল সারাদিন সারাক্ষণ প্রবঞ্চক বিশ্বাসের সাথে… আর নয় কখনও কোন চুক্তি- কেবলই বিরহী-মিলনের ছল, নয় কোন আকালিক যুক্তি- নিয়ে মুখে হাসি, চোখে জল…